সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

নাগরপুরে বন্যার পানির স্রোতে ভেঙ্গে পড়েছে ব্রীজ।

  • আপডেট : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২০
  • ৯৪৮ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক নাগরপুরঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বন্যার পানির স্রোতে ভেসে গেছে উপজেলার গয়হাটা-সিংজোড়া সড়কের ঘুণী খালের উপর স্থাপিত ব্রীজ। ফলে আশ পাশের ৬ গ্রামের জনসাধারনের চলাচলে চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বন্যার পানির প্রবল স্রোতে মঙ্গল রাতে ওই ব্রীজটি ভেসে যায়। বুধবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্থ ব্রীজটি পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো.আতাউল গণি।

সরেজমিন ভেসে যাওয়া ব্রীজটি পরিদর্শনকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জনসাধারনের আপদকালীন সময়ে চলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে তাগিদ দেন। এসময় উপস্থিত উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলীকে বন্যা পরবর্তী সময়ে দ্রুত ব্রীজটি নির্মান করে দেওয়ার জন্য বলেন তিনি। এসময় তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম, সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.হুমায়ুন কবীল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিকী প্রমূখ।

ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে সিংজোড়ায় অবস্থিত স্কুল, কলেজ, হাট, বাজার ও পার্শ্ববর্তী শ্যামপুর, তেহালিয়া, বাটরা সহ বিভিন্ন এলাকার জনসাধারনের সরাসরি উপজেলা সদরের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

এর আগে নাগরপুর উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর ঘোনাপাড়া পয়েন্টে ১৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সদ্য নির্মিত বেড়িবাধ ভেঙ্গে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, বারপাখিয়া থেকে ঘোনাপাড়া পর্যন্ত ধলেশ্বরী নদীতে ১ শত ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনমাস আগে বেরিবাধ নির্মান করা হয়। বেরিবাধটি মূলত ঘোনাপাড়াসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকাকে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করার জন্য নির্মান করা হয়।

অথচ তিনমাস আগে বাধ নির্মিত হলেও তা এলাকাবাসীর কোন উপকারে আসলো না। গত কয়েক দিনে ধলেশ্বরী নদীর পারি বৃদ্ধি পাওয়ায় শনিবার সকালে নির্মিত বেরিবাধ ভেঙ্গে বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। চরাঞ্চলের তিল, পাট সহ বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।

এতে নাগরপুরের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী এসব মানুষ অভিযোগের সূরে বলেন নদীর ভাঙ্গন ও প্লাবন থেকে বাচতে বাধ নির্মান করা হলেও তা আমাদের কোন কাজেই আসলো না। এদিকে হঠাৎ করে পানি ঢুকে পড়ায় গবাদী পশু ও ফসল নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন পানিবন্দি এসব মানুষ।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সিরাজুল ইসলাম জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারনে যমুনা নদীর পানি বিপদ সীমার ৩৪ সেন্টিমিটার, ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপদ সীমার ৯০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এতে করে বেরিবাধের নিচের অংশের ব্যকগুলো সরে গিয়ে এবং নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাধের উপর দিয়ে উঠে পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়েছে। এছাড়া মাটির তৈরি আরো একটি বাধ ভেঙ্গে পানি ঢুকে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। আমরা আপদকালীন সময়ে বেরিবাধের ভেঙ্গে যাওয়া অংশে পাথরের ব্যক ফেলে মেরামত করার উদ্যোগ নিয়েছি।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme