সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

টাঙ্গাইল হরিজন পল্লীতে পূজা নিয়ে মারামারি,গর্ভবতী নারীসহ আহত ৩

  • আপডেট : শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫
  • ৭০০ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের শান্তিকুঞ্জ মোড়ে হরিজন পল্লীতে পুজা নিয়ে মারামারি ঘটনায় গর্ভবতী নারীসহ তিনজন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

আহতরা হলেন,গর্ভবতী নারী লীমা দাস,সুশান্ত হরিজন ও শিবা দাস। এদের মধ্যে সুশান্ত ও শিবা ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। গত ১ জুলাই বিকালে হরিজন পল্লীর সার্বজনিন মন্দিরের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুজারাণী নামের এক নারী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

স্থানীয় ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,হরিজন পল্লীর পরিবারবর্গ বারোআরি মন্দিরে গেইটের সামনে ”বিপদ নালিশী পুজার” আয়োজন করা হয়। যথাক্রমে পুজার র্কাযক্রম শুরু হয়। একপর্যায়ে বিশ্বনাথের হুকুমে তুষার চন্দ্র,বিনোদ চন্দ্র, মিঠু, মিলন,তুহিন,জগন্নাথ,অমিত,শিতল,আকাশ,রমেশসহ বেশ কয়েকজন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে গর্ভবতী নারীসহ তিনজন গুরতর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা গুরতর আহত অবস্থায় লীমা রাণী, সুশান্ত ও শিবা দাসকে টাঙ্গাইল জেনারেণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সেখান থেকে সুশান্ত ও শিবার অবস্থা গুরতর হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকার রেফার্ড করেন।

আহত শিবা দাসের বাবা চন্দ দাস ও সুশান্তর বাবা বাবু হরিজন জানায়,ঘটনার দিন তারা চাকুরীতে কর্মরত ছিলেন। স্থানীদের মাধ্যমে শুনে হাসপাতালে যায়। সেখানে ওই দুজনে অবস্থা বেগতিক হলে চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকায় নিয়ে যায়। বর্তমানে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তারা আরও জানায়, মন্দির নিয়ে রেশারেশি চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। পুজা করার জন্য চাবি চাইলে ওই পক্ষ চাবি দিতে অসীকার করেন। পরে তারা মন্দিরে বাহিরে পুজা শুরু করেন। সেখানে এসে বিশ^নাথের হুকুমে ওই সন্ত্রাসীরা হামলা করে। এছাড়াও ২০০৪ সালেও তারা হামলা করেছিল। তাদের ভয়ে আমরা সঠিকভাবে চলাফেরা করতে পারছিনা। আমাদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তারা।
অভিযুক্ত বিশ্বনাথ মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) তানভীর আহম্মেদ জানান, হরিজন পল্লীর দুইপক্ষ মীমাংসার উদ্যোগ নিয়েছে। দ্রুত সমাধান দিতে না পারলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme