সংবাদ শিরোনাম:
ঘাটাইলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন গোপালপুরে বিনামূল্যে ৪ টি হতদরিদ্রের পরিবারের মাঝে বকনা গরু বিতরণ  টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থী আসিফ হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে মাজারের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, এক পক্ষের দখলমুক্ত করার দাবি, অন্য পক্ষের প্রতিবাদ ঘাটাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অযত্ন-অবহেলায় সাগরদীঘি বিনোদন কেন্দ্র ধ্বংসের মুখে ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন  টাঙ্গাইলে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ টাঙ্গাইলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৫০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন পুলিশ সুপার নাগরপুরে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালিত

টাকার বিনিময়ে এইচএসসি’র টেস্টে ফেল করা শিক্ষার্থীদের আবার পরীক্ষা নিলো টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজ

  • আপডেট : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৫১ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : নিয়মবহির্ভূতভাবে রমজান মাসে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বন্ধের মধ্যেই টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজ এইচএসসি’র টেস্ট পরীক্ষায় একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে আবারো পরীক্ষা নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, পবিত্র রমজান উপলক্ষে সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কিন্ত সে নির্দেশনা উপেক্ষা করে টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলজে রোজার মধ্যেই এইচএসসি’র টেস্ট পরীক্ষার একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের নেয়া হচ্ছে পরীক্ষা। এসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকেই ৪ বিষয় কিংবা ৫ বিষয়েও অকৃতকার্য রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কলেজের বেশ কয়েকটি শ্রেণী কক্ষে বুধবার দুপুর পর্যন্ত পরীক্ষা চলছিলো। সাংদিকদের উপস্থিতি দেখে পরীক্ষা নেয়া শিক্ষকরা কিছুটা হতভম্ব হয়ে যায়।

কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, টাঙ্গাইল সরকারি মহিলা কলেজে গত ২০ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের এইচএসসির টেস্ট পরীক্ষার্থী শুরু হয়। এতে দ্বাদশ শ্রেণীর মোট পরীক্ষার্থী ছিলো ১ হাজার ১শ’ ১ জন। পরবর্তীতে ১৯ ফেব্রুয়ারি এর ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে করে ৪৯১ জন শিক্ষার্থী ফেল করে। এসব বেশির ভাগই শিক্ষার্থীই ইংরেজি, আইসিটি, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে।

কলেজের একটি সূত্র জানায়, অকৃতকার্য এ সব শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, আমাদের কাছ থেকে প্রতি বিষয় ১ হাজার টাকা করে নেয়া হয়েছে। টাকাগুলো কলেজের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিসের এক শিক্ষকের কাছে দিয়েছি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, আমি ২ বিষয়ের জন্য টাকা জমা দিয়েছি। আমার মতো অনেকই টাকা জমা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ তাহমিনা জাহান বলেন, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের অনুরোধে কাউন্সিলের মিটিং এর মাধ্যমে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। রমজানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্ধের মধ্যে পরীক্ষা নেয়ার ব্যাপারে তিনি তেমন সদুত্তর দিতে পারেনি। এছাড়া তিনি টাকা দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসটি) লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, বর্তমানে রমজান মাস উপলক্ষে মাধ্যমিক ও নি¤œমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বন্ধের মধ্যে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি আমাদের নলেজে নেই। বিষয়টি আমরা দেখবো।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme