সংবাদ শিরোনাম:
ঘাটাইলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন গোপালপুরে বিনামূল্যে ৪ টি হতদরিদ্রের পরিবারের মাঝে বকনা গরু বিতরণ  টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থী আসিফ হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে মাজারের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, এক পক্ষের দখলমুক্ত করার দাবি, অন্য পক্ষের প্রতিবাদ ঘাটাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অযত্ন-অবহেলায় সাগরদীঘি বিনোদন কেন্দ্র ধ্বংসের মুখে ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন  টাঙ্গাইলে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ টাঙ্গাইলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৫০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন পুলিশ সুপার নাগরপুরে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালিত

টাঙ্গাইলে মা নার্সিং হোম ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ, পঞ্চাশ হাজার টাকায় রফাদফা

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৬৬৭ বার দেখা হয়েছে।
মা নার্সিং হোম ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায়

প্রতিদিন প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলে মা নার্সিং হোম ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২৫অক্টোবর) শহরের আকুর টাকুর পাড়ায় মা নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ভুল চিকিৎসার শিকার শিরিন আক্তার (৪৫) সখিপুর উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের চাকদহ গ্রামের জয়নাল মিয়ার স্ত্রী।
জানা যায়, শিরিন আক্তারকে গত সোমবার (২৩ অক্টোবর) পিত্তথলির পাথর অপারেশনের জন্য মা নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। এরপর বুধবার সন্ধ্যায় পিত্তথলির পাথর অপসারণের জন্য অপারেশন কক্ষে নেওয়া হয়। এর পর সেখানেই শিরিন আক্তারের মৃত্যু হয় । তার স্বামী ও স্বজনরা তাৎক্ষনিক ভাবে ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেন। এ নিয়ে ক্লিনিকে অশান্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি টাঙ্গাইল মডেল থানায় অবহিত করা হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন আনে।
জয়নাল মিয়া বলেন, প্রথমে আমার স্ত্রীকে ঢাকা ক্লিনিকে ভর্তি করি, ঢাকা ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ আমার স্ত্রীর অবস্থা দেখে অপারেশন করতে অপারগতা প্রকাশ করে, টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। আমরা সদর হাসপাতালে না নিয়ে বাড়ি নিয়ে যাই। পরবর্তীতে আমরা আবার চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল নিয়ে এসে মা নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডাক্তার দেখাই। ডাক্তার দেখার পর তারা সেখানে ভর্তি হতে বলে এবং তারা জানায়, আমার স্ত্রীর পিত্তথলির পাথর অপারেশন তারা এখানেই করবে। আমরা ভর্তি করি। ভর্তি করার পর থেকে আমরা স্ত্রীর প্রেসার অনিয়ন্ত্রীত থাকায় আমরা অপারেশন করতে অসম্মতি জানাই কিন্তু মা নার্সিং হোম এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লোকজন আমাদের মিথ্যে অশ^াস দিয়ে অপারেশন করে। অপারেশন কারার সময় অবহেলায় আমার স্ত্রী মৃত্যু বরন করে। আমার স্ত্রী শিরিন আক্তারকে যদি ভর্তি না করতো, তাহলে ভুল চিকিৎসায় আমার স্ত্রী আজ মৃত্যু বরণ করত না। আমরা ওই ডাক্তার ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে ডাক্তার ফরিদ আহমেদ সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠো ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্লিনিকের মালিক কামাল বলেন, যখন কোন প্রাইভেন ক্লিনিকে রোগী মারা যায়, তখন ডাক্তার ও ক্লিনিকের অবহেলায় রোগী মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠে। আমরা যেহেতু ক্লিনিকের ব্যবসা করি, দায়িত্ব নিয়ে কাজ করি। আমরা চাইনা কারো প্রান নাশ হোক। এই রোগীর ক্ষেত্রে তার প্রেসার নিয়ন্ত্রীত ছিল না। যখন দেখেছি তার প্রেসার নিয়ন্ত্রনে তখনই আমরা অপরেশন করেছি।
ক্লিনিক কতৃপক্ষের কাছে অ্যানেস্থেসিয়ার ডা. আনোয়ার সাদাত এর মোবাইল নম্বর চাইলে তারা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।
রোগীর স্বজনদের থানায় মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। এরপর থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় ক্লিনিক কতৃপক্ষ শিরিন আক্তারের স্বামীর কাছ থেকে টিপ সই নিয়ে তাদের পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে লাশ বের করে দেয়। এমনটা জানিয়েছেন মৃত শিরিন আক্তারের ভাতিজা মো রাহাত মিয়া।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme