সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

দেলদুয়ারে মাদক সেবনে বাঁধা দেয়ায় যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে ছুরিকাঘাত

  • আপডেট : রবিবার, ২৪ মে, ২০২০
  • ৭৮৯৯ বার দেখা হয়েছে।
tangail-pratidin

প্রতিদিন প্রতিবেদক: দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের নলশোধা পূর্বপাড়া মৃত নায়েব আলীর ছেলে আবুল হোসেনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর ও ছুরিকাঘাত করেন ওই এলাকার পলান দাসের ছেলে বাসুদেব দাস ও তার সঙ্গীয় অজ্ঞাত আরো অনেকেই। এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানায় আবুল হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, বাসুদেবসহ তার বন্ধুরা নলশোধা গালর্স স্কুলের আশে পাশে বসে মাদক সেবন করে। মাদক সেবনে এলাকার যুব সমাজ নষ্ট হবে মর্মে বাসুদেবের পিতার কাছে বিচার দেয়া হয়। বিচার দেয়ায় বাসুদেব ক্ষিপ্ত হইয়া ওই গ্রামের সোনাইল্লাহ মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর, আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মেহেদী হাসান, মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মানিক মিয়া, ফজল মিয়ার ছেলে রানা, আব্দুর রহমের ছেলে তারেক মিয়া, আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়া, হক মিয়ার ছেলে ফেরদৌস মিয়া, সাত্তার মিয়ার ছেলে করিম মিয়া, মন্টু মিয়ার ছেলে সোলায়মান মিয়াসহ আরো অজ্ঞাত ৫/৬ জন সোমবার (১৮ মে) রাত ৯টায় নলশোধা বাজারে আবুল হোসেনকে মারতে আসে।

এসময় উপস্থিত এলাকাবাসী তাদেরকে তাড়িয়ে দেন। এরপর রাত ১১ টায় বাসায় একা যেতে ভয় পাওয়ায় আবুল প্রতিবেশী ভাতিজা রাশেদ ও চাচা সেলিম মিয়া বাসায় পৌঁছাতে দিতে গেলে বিবাদী পক্ষ তাদেরকেও পথ গতিরোধ মারধর করে।

রাশেদকে রানা ও শাকিল দা দিয়ে পিঠের বাম পাশে ও নাকে এবং সেলিমকে বাম পাজোরে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো দাঁ দিয়ে কোব দিয়ে জখম করে। এসময় আমার ডাক চিৎকারে আশ পাশের মানুষ এসে আমাদেরকে প্রাণে রক্ষা করেন।

লোক সমাগোম দেখে তারা হুমকি প্রদান করে চলে যান। গুরুত্বর অবস্থায় রাশেদকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করেন। পরে আবুল ও সেলিম চিকিৎসা শেষে দেলদুয়ার থানায় মামলা করেন।

দেলদুয়ার থানায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) মনোয়ার হোসেন জানান, মামলার অন্যাতম আসামী মানিক মিয়াকে শুক্রবার (২২ মে) গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং অন্য আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme