সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

ইফতারের চাঁদা না দেওয়ায় টাঙ্গাইলের সাবেক ক্রিকেটারকে কুপিয়েছে সন্ত্রাসীরা

  • আপডেট : শনিবার, ১৮ মে, ২০১৯
  • ৭৪৬৩ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : ইফতারের চাঁদা না দেওয়ায় টাঙ্গাইল শহরের সাবেক ক্রিকেটার ও আবর্তন-৯৯ এর সাধারণ সম্পাদক রায়হান ইমন (৩৫) কে কুপিয়েছে আকাশ, সাগর সহ ১৫/২০ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এসব সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মাদক ও ছিনতাই সহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

ইমনের অবস্থা আশংকা জনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। তার শরীরে বিভিন্ন স্থানে ১০ থেকে ১৫টি সেলাই করা হয়েছে। ইমন শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার শফিকুর রহমানের ছেলে।

আবর্তন-৯৯ এর অন্যতম সদস্য দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল হাসান মারুফ সহ অন্যান্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

শনিবার রাত আটটার দিকে তাকে আশংকা জনক অবস্থায় টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তৃতীয় তলায় ভর্তি করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইমন অপারেশন থিয়েটারে রয়েছে।

সরেজমিনে হাসপাতালে গেলে রায়হান ইমন জানান, শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে শহরের বোয়ালী এলাকার আলাল হোসেনের ছেলে সন্ত্রাসী আকাশ ও তার মামাত ভাই সাগর আমার আমার বাসায় আসে। তারা একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করবে বলে আমার কাছে পাঁচ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি বলি পরে দেখবো নি। এরপর শনিবার ইফতারের পর আমি ও আমার বন্ধুরা গোডাউন ব্রীজের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলাম। এসময় সন্ত্রাসী আকাশ, সাগর এসে আমার সাথে কথা বলবে বলে চায়ের দোকানের সামনে থেকে একটু দূরে ডেকে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের আরো ১৫ থেকে ২০ জন বন্ধু ছিল। সেখানে নিয়ে তারা আমাকে জিজ্ঞেস করে কেন তাদের ইফতার পার্টির জন্য চাঁদা দিলাম না। এই বলেই তাদের হাতে থাকা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথালী কুপাতে থাকে। পরে আমি দৌড়ে অন্যত্র পালানোর চেষ্টা করতেই পরে যাই।

এসময় তারা দৌড়ে এসে আমাকে কুপাতে থাকে। পরে আমার অন্যান্য বন্ধুরা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। এর পর আমি অচেতন হয়ে পরি। জ্ঞান ফিরে দেখি আমি হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছি।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক শফিকুল ইসলাম সজিব জানান, রাত আটটার দিকে প্রায় অচেতন রক্তাত্ত অবস্থায় ইমনকে হাসপাতালে আনা হয়। তার সারা শরীরে কুপের চিহ্ন রয়েছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রায় ১০/১৫ টি সেলাই করা হয়েছে। তবে ইমন শঙ্কা মুক্ত নয়।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme