সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

নাগরপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের আসামী রহমান গ্রেফতার

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ মে, ২০১৯
  • ১১৬০ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক নাগরপুর : নাগরপুরে নবম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে (১৪) জোরপূর্বক ধর্ষন মামলার মুল আসামী ধর্ষক আতিকুর রহমান ওরফে রহমান কে (৩৬) গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার রাতে গাজীপুর জেলার কড্ডা বাজার থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে উপজেলার পাছ ইরতা গ্রামের ওয়াজেদ আলী খানের ছেলে।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলম চাদঁ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাজাহান তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে ধর্ষক রহমানের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে গাজীপুরে অভিযান চালান।

গত ১৯ এপ্রিল শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে পাছ ইরতা গ্রামের খন্দকার রহুল আমিনের মেয়ে ৯ম শ্রেনীর ছাত্রীকে (১৪) বাইকে তুলে নিয়ে পাশ্ববর্তী সারাংপুর গ্রামের নির্জন মাঠে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষন করে রহমান।

পরে ২২ এপ্রিল ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করে। এর পর থেকে ধর্ষক রহমান গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপন করে।

উল্লেখ্য- উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের পাছ ইরতা গ্রামের খন্দকার রহুল আমিনের মেয়ে ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী (১৪) পাশের বাড়ীর এমদাদ মাষ্টারে ভবনের নির্মাণ শ্রমিক মাসুদকে সাথে নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তায় দিয়ে হাটছিল।

কিছু দূর যাওয়ার পর একই গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে আব্দুর রহমানের সাথে তাদের দেখা হয়। বেড়ানোর কথা বলে রহমান ওই স্কুল ছাত্রী ও মাসুদকে বাইক যোগে সারাংপুর নিয়ে যায়।

এরপর মাসুদকে ভয় দেখিয়ে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরে রহমান ওই মেয়েটি কে জোর করে সারাংপুর চকে (মাঠ) নিয়ে ধর্ষন করে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা ধর্ষিতাকে উদ্বার করে। পরবর্তীতে উদ্বারকারী ওই ছয় যুবককে এ মামলায় আসামী করা হয়।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme