সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

মির্জাপুরে মেয়েকে অজ্ঞান করে সৎ বাবার পলায়ন

  • আপডেট : বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২০
  • ১৪০০ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক মির্জাপুর: চলন্ত বাসে ঘুমন্ত অবস্থায় মেয়েকে রেখে টাকা পয়সা নিয়ে পালিয়েছে সৎ বাবা । অচেতন অবস্থায় মির্জাপুর উপজেলার বাশতৈল পশ্চিমপাড়া ধান ক্ষেত থেকে তাকে উদ্ধার করে বাঁশতৈল ফাঁড়ি পুলিশ। পরে তাকে অচেতন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ভুক্তভোগী ওই মেয়ের নাম রিফা আক্তার (২৫)। সৎ বাবার নাম আলমগীর হোসেন। বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার শহরতলীতে। ঘটনার বিবরনে প্রকাশ, ৫ বছর বয়সে রিফার মা মারা যান। মায়ের মৃত্যুর পর তার বাবা দুলাল দ্বিতীয় বিয়ে করেন। কিছু দিন যেতে না যেতেই রিফার বাবাও মারা যান। পরে তার সৎ মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়। সৎ মা বাবরে অনাদর-অবহেলায় একদিন রিফা বাড়ি ছেড়ে গাজীপুরের টঙ্গি জামাইবাজার এলাকায় লতা ওয়াশিং ফ্যাক্টরিতে চাকুরী নেন।

চাকুরীর পর তার সৎ বাবা তার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলতে থাকে। রিফা তার বাবা মায়ের আদর স্নেহের আশায় প্রতিমাসে বেতনের একটা অংশ সৎ বাবার হাতে তুলে দিত। এমনিভাবে চলে প্রায় দশ বছর। এরই মধ্যে সৎ বাবা আলমগীরের দৃষ্টি পড়ে রিফার নামে থাকে তিন বিঘা জমির ওপর।

কৌশলে এই জমি আত্মসাতে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সৎ বাবার। ঘটনার দিন গত সোমবার রাতে সৎ বাবা আলমগীর রিফাকে নিয়ে গাইবান্ধার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিন্তু চন্দ্রা থেকে লোকাল বাসে উঠলে রিফা এর কারণ জানতে চাইলে । সে বলে হাটুভাঙ্গা এলাকায় তার এক বন্ধুর বাসায় রান্না করা হয়েছে। সেখানে খাওয়া-দাওয়া করে তার পর বাড়ি যাবে বলে জানায়।

এরই মধ্যে চলন্ত বাসে সৎ বাবা তাকে শশা এবং আমড়ার সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য খাওয়ান। একসময় সে বাসেই অচেতন হয়ে পড়ে। জ্ঞান ফিরে বুধবার দুপুরে রিফা দেখতে পায় সে কুমুদিনী হাসপাতালের বিছানায়। জ্ঞান ফিরে সে কিছু কিছু কথা বলতে পারে বলে মহিলা মেডিনি ওয়ার্ডের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সীমান্ত জানিয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রিফা বলেন একটু আদর স্নেহের আশায় বাবাকে টাকা দিয়েছি। তবু তা মেলেনি।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান বলেন, রিফার নামে থাকা তিন বিঘা জমি আত্মসাত করার জন্যই যেকোন উপায়ে রিফাকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে সৎ বাবা এই পন্থা অবলম্বন করেছে। রিফা সুস্থ হলেই সৎ বাবার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme