সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন পুলিশ সুপার নাগরপুরে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালিত বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী টুকু আমাদের চলমান আন্দোলন-সংগ্রাম সরকার পতনের আন্দোলন নয়…. মাওলানা মামুনুল হক গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু

গোপালপুরে নকলের দায়ে দুই শিক্ষক সহ চার জনের সাজা

  • আপডেট : রবিবার, ১২ মে, ২০১৯
  • ৮৭৬ বার দেখা হয়েছে।

মো.নূর আলম গোপালপুর : গোপালপুর উপজেলার আলীয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে চলতি আলীম পরীক্ষায় উচ্চতর গণিত বিষয়ে ডিজিটাল উপায়ে অসদুপায় অবলম্বন এবং দুস্কর্মে সহযোগিতার অভিযোগে দুই কক্ষ পরিদর্শক, এক হাউজ টিউটরসহ ৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।

গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট বিকাশ বিশ্বাস গোপন খবর পেয়ে শনিবার ওই পরীক্ষা কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে এদের হাতেনাতে আটক করেন।

কক্ষ পর্যবেক্ষক আব্দুল মান্নান ও সাইফুদ্দীনকে সাতদিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড, হাউজটিউটর সোহেল রানা এবং সহযোগি গোপালপুর আলীয়া মাদ্রাসার ফাজিল শ্রেণীতে পড়ুয়া আবুবকরকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

আর পরীক্ষার্থী মোখলেছুর রহমান, বদরুল আলম, আব্দুল জলিল ও শামীম হোসেনের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় এবং ভ্রাম্যমান আদালতের এক্তিয়ার না থাকায় তাদেরকে মুচলেকা দিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। তবে তাদেরকে পরীক্ষা থেকে বহিস্কার করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিকাশ বিশ্বাস জানান, ওই চার পরীক্ষার্থী তাদের হাউস টিউটর সোহেল রানার সহযোগিতায় প্রথমে ফেসবুকে একটি গ্রুপ তৈরি করেন।

পরীক্ষা হল থেকে এন্ড্রোয়েড  মোবাইল সেটের ম্যাসেঞ্জারে অপসনে তারা এডমিন সোহেল রানার নিকট বাইরে প্রশ্নপত্রের কপি পাঠায়। পরে ওই হাউজটিউটর প্রশ্নের সমাধান করে ম্যাসেঞ্জারে অপসনে উত্তর পাঠিয়ে দেয়।

আর চার পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন থেকে তা টুকে নিয়ে উত্তর পত্র লিখে দিচ্ছিলো। পরীক্ষা হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই পরির্দশক অসাধু পন্থা অবলম্বনে পরীক্ষার্থীদের সহযোগিতা করছিলেন।  সাজাপ্রাপ্তরা ভ্রাম্যমান আদালতের নিকট দোষ স্বীকার করেন। পরে সকলকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা জানান, শিক্ষক দুজন বাংলা বাজার সামাদীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার হযরত মাওলানা সাইফুদ্দীন হোসাইন এবং আরেকজন সেনেরচর শাহসুফি আলীম মাদ্রাসার হযরত মাওলানা আব্দুল মান্নান সৈয়দপুরী।

আর চার বাচ্চা হুজুর হলো, মোখলেছুর রহমান, বদরুল আলম, আব্দুল জলিল, শামীম হোসেন ও আবুবকর সিদ্দিক। এরা গোপালপুর আলীয়া মাদ্রাসার আলীম পরীক্ষার্থী।

শনিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিকাশ বিশ্বাস পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকে হাতেনাতে সব আটক করেন।অভিভাবক সেঁজে কাঁয়দা করে আটক করেন সোহেলকে।

বিচারে দুই বড় হুঁজুরকে সাতদিনের বিনাশ্রম এবং সোহেল ও আবুবকর সিদ্দীককে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদন্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমনা করেন।

চার বাচ্চা হুজুরের বয়স ১৮ এর নিচে হওয়ায়, পরীক্ষা থেকে বহিস্কার ও মুঁচলেকায় ছেড়ে দেয়া হয়।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme