সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

বাসাইলে নিবার্চন পরবর্তী সহিংসতায় বৃদ্ধাসহ আহত ৫

  • আপডেট : শুক্রবার, ৭ জুন, ২০২৪
  • ৪৫৭ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের বাসাইলে নিবার্চন পরবর্তী সহিংসতায় একবৃদ্ধাসহ ৫ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নাকাছিম পূর্বপাড়া গ্রামে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

সহিংসতায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ চন্দ্র সরকার, ননী গোপাল সরকার , মিনতি রানী সরকার,বাসন্তী রানী সরকার এবং আশি বছরের বৃদ্ধা সুর্য্যমনী রানী সরকার গুরুত্বর আহত হন। এ ঘটনায় ওই রাতেই দিলীপ চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে বাসাইল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী কাজী শহীদুল ইসলামের সমর্থক কাশিল গ্রামের শমশের খানের ছেলে আলমগীর, মনির হোসেনের ছেলে ফরিদ হোসেন, শাহাদত মিয়ার ছেলে তুষার মিয়া, বিয়ালা গ্রামের জামাল ভূইয়ার ছেলে আরিফ ভূইয়া ও ফয়সাল ভূইয়াসহ ১০/১৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দিলীপ সরকারের বাড়িতে হামলা করে। এসময় তারা আনারস প্রতীকের প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলামের নিবার্চন করা এবং ভোট দেয়ায় তাদেরকে গালিগালাজ এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আতংকের সৃষ্টি করে । শোবার ঘরে থাকা শোকেজের ড্রয়ার ভেঙে দুই ভরী স্বর্ণের গহনাসহ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় রাতেই দিলীপ চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে আলমগীর, ফরিদ, তুষার, আরিফ, ফয়সালের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামী করে বাসাইল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে বাসাইল উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, আমার নিবার্চন করায় কাজী শহীদ মুন্সির ভাতিজা, ভাগিনাসহ কতিপয় লোক এই হামলা করেছে। প্রশাসনের সকলের সাথে বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বলেছি। তারা এই ঘটনার কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বস্থ করেছেন। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করা না হলে বাসাইলের হিন্দু মুসলমান সকলকে নিয়ে মানববন্ধনসহ আরো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।

এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী কাজী শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি। গ্রেফতারের অভিযান চলমান আছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme