সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

যমুনা নদীতে অসময়ে পানি বৃদ্ধি, তলিয়ে যাচ্ছে ফসল

  • আপডেট : রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৪৬০ বার দেখা হয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে হঠাৎ পানি বৃদ্ধির ফলে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের বিভিন্ন ধরনের ফসল ও ফসলী জমি। এতে নদীর পানিতে চরাঞ্চলে রোপন করা ভুট্টা, বাদাম, কালাই ও ধানের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শনিবার ১৫ অক্টোবর যমুনা নদীতে গতকালের চেয়ে ২২ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এখনও পানি বিপদসীমার ৬২ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রভাহিত হচ্ছে।

জানা গেছে, উপজেলার গাবসারা ও অর্জুনা ইউনিয়নে চরাঞ্চলের কৃষকরা জেগে উঠা চরে বাদাম, কাতি কালাই, ভুট্টা ও গাইঞ্জা জাতের ধান রোপন করে। এতে ফসল ভাল হলেও বিপত্তি দেখা দিয়েছে অসময়ের যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির কারণে। এতে হঠাৎ নদীতে পানি বেড়ে যাওয়ায় তলিয়ে গেছে বিভিন্ন এলাকার চরাঞ্চলের ফসলী জমি ও ফসল। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কৃষকরা। উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কুকাদাইর গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন, নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলে ১২ বিঘা জমিতে বাদামসহ বিভিন্ন ফসল রোপন করেছিলাম। ফসলও গতবছরের তুলনায় এবার ভাল আবাদ হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎই পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়লাম।

কৃষক হুরমুজ প্রামাণিক, রহিজ উদ্দিন জানান, এই সময়ে নদীতে পানি বৃদ্ধি পাবে সেটা কল্পনাও করিনি। পানি বাড়ার সম্ভবনা থাকলে ফসল রোপন করতাম না। এখনও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফলে ফসল তলিয়ে গিয়ে নষ্ট হচ্ছে। বাধ্য হয়েই অনেক ফসলের চারা কেটে গরু দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মো. হুয়ামূন কবীর জানান, অসময়ে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখনও পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে চরাঞ্চলে বেশ কয়েকটি গ্রামের ফসলী জমি ও ফসল তলিয়ে গেছে। এতে কৃষকদের রোপন করা বাদাম, ভুট্টা, কালাই ও ধানের ক্ষতি হয়েছে।

ইতোমধ্যে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের সরেজমিন পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের প্রনোদনার মাধ্যমে ক্ষতি পুষিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme