সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

সাফল্য অর্জনেও ব্যতীক্রম নয় জমজ দুই বোন,  লাইবা ও লামিয়া দুজনেই পেলেন জিপিএ- ৫

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪
  • ৪১১ বার দেখা হয়েছে।

মাজহারুল সোহান: জমজ দুই বোন।একজন লাইবা ও অপরজন লামিয়া। জমজ হওয়ার সুবাদে বেড়ে উঠা  একই সঙ্গে।পড়াশোনাতেও ব্যতীক্রম নয়। ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রেও যেন একে অপরের পরিপূরক। পাল্লা দিয়ে দুই জমজ বোনই অর্জন করেছে জিপিএ-৫।

তারা দুজনেই টাঙ্গাইলের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলো। লাইবা ও লামিয়া টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ইমদাদুল হক ও শায়লা পারভীন দম্পতির কন্যা সন্তান।

পরীক্ষার ফলাফলে আফরা আনিকা হক লামিয়ার প্রাপ্ত নাম্বার ১১৮২ আর আফরা নাওয়ার হক লাইবার প্রাপ্ত নম্বর ১১৯৬। তাদের মধ্যে লাইবা স্বপ্ন দেখছে বুয়েট থেকে পাশ করে প্রকৌশলী হওয়ার। অপরজন লামিয়া স্বপ্ন দেখছে মেডিকেল কলেজ থেকে পাশ করে চিকিৎসক হয়ে দেশ ও মানুষের সেবা করার।

লামিয়া জানায়, তাদের এ সাফল্যের পিছনে কঠোর পরিশ্রম,  অধ্যাবসায় ও তাদের মা-বাবার অবদানটাই মূখ্য ছিলো।সে  ভবিষ্যতে চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চায়।

অপরদিকে লাইবা জানায়, আমরা দু’জন বোনের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক অনেক ভালো।পড়ালেখার ক্ষেত্রে আমরা একে অপরকে অনেক সহযোগিতা করতাম।তিনি আরো জানায়,পড়া কখনো জমিয়ে রাখতাম না।সময়ের পড়া সময়ে শেষ করতাম। পড়াশোনায় এ রকম রুটিন মেনে চলায় তা আমাকে ভালো ফলাফল অর্জনে সহায়তা করেছে।

জমজ দুই সন্তানের জননী শায়লা পারভীন জানান,কখনো আমার মেয়েদের পড়ার কথা বলতে হতো না।তাদের দুজনেই পড়াশোনার প্রতি অনেক আগ্রহী ছিলো।তাদের এ সাফল্যে প্রথমে আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া জানাই। আমি অনেক খুশি আমার জমজ কন্যা সন্তানদের ফলাফলে।

এ বিষয়ে লাইবা ও লামিয়ার গৃহ শিক্ষক মানিক চাঁদ বলেন, যখন থেকে আমি ওদের দুজনকে পড়াই,ওদের মধ্যে কখনো পড়াশোনার প্রতি অনাগ্রহ দেখিনি। ওদের মেধা ও পরিশ্রম দেখে আমি আশাবাদী ছিলাম এ রকম ফলাফল অর্জনের বিষয়ে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme