সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

দেলদুয়ার পুলিশ মীমাংসার কথা বলে ধর্ষণ চেষ্টার আসামীকে ছেড়ে দিয়েছে

  • আপডেট : রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৯৩৪ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক দেলদুয়ার : দেলদুয়ারে গৃহবধূ ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ এনে থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা আমলে না নিয়ে মীমাংসার কথা বলে আসামীকে ছেড়ে দিয়েছে। পরে গৃহবধূ কোন প্রকার বিচার না পেয়ে নিরুপায় হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলাটি বর্তমানে পিবিআই তদন্ত করছেন। মামলা করায় গৃহবধূ ও তার পটরিবারকে প্রতিনিয়ত জীননাশের হুমকী দিচ্ছে আসামী পক্ষ।

উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বাটপাড়া গ্রামে ২৪ বছর বয়সের গৃহবধূকে প্রতিবেশী মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে দুই সন্তানের জনক জাহাঙ্গীর মিয়া (৪০) বাড়ির অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতে বসতঘরে ঢুকে জোড়পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করে।

পরে স্থানীয়ভাবে মিমাংসার কথা বলে ঘুষের বিনিময়ে বাদীর অভিযোগ আমলে না নিয়ে আসামীকে ছেড়ে দেয়।

পরে কোথাও কোন বিচার না পেয়ে ১২ সেপ্টেম্বর ওই গৃহবধূ টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

রোববার এই প্রতিবেদক সরেজমিন পরিদর্শণ ও ধষির্তা গৃহবধূর সঙ্গে কথা বলে জানান যায়, গত ১৬ জুলাই দুপুর ১২ টায় স্বামী ও শ্বশুর-শ্বাশুরি বাড়ীতে না থাকায় পাশ্ববতি প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর ঘরে ঢুকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে জড়িয়ে ধরে এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর অঙ্গে স্পর্শ করে।

এসময় ডাকচিৎকার করার চেষ্টা করলে সে মুখ চেপে ধরে জন্তু জানোয়ারের মত জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

অনেক চেষ্টার পর তার কবল থেকে মুক্ত হয়ে ডাকচিৎকার দেই। পরে সে চলে যায়। এবং যাওয়ার সময় দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে যায়।

শ্বশুর-শ্বশুরি বাড়ি এলে তাদের ঘটনা জানানো হয়। শ্বশুর জাহাঙ্গীরের নিকট গিয়ে ঘটনার কৈফিয়ত চাইলে তিনি বলেন আপনি বাড়ি যান আমি আসছি।

পরে বাড়িতে এসে শ্বশুর-শ্বাশুরির পা জড়িয়ে ক্ষমা চান এবং কাউকে না জানানোর অনুরোধ করে।

শ্বশুর-শ্বাশুরি ঢাকায় চাকরিরত স্বামীকে জানালে তিনি থানায় মামলা করার নির্দেশ দেন।

পরে ৩০ জুলাই থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগ নিয়েও থানা বিবাদিকে আটক করে। পরে স্থানীয় চেয়াম্যানের মাধ্যমে মিমাংসার কথা বলে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেয়।

চেয়ারম্যানের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পেয়ে ১২ সেপ্টেম্বর আদালতে মামলা করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জাহাঙ্গীর মামলা তুলে না নিলে আমাকে ও আমার স্বামী-সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।

ডুবাইল ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইলিয়াস মিয়া জানান, ঘটনার পর বাদী পক্ষ আমার নিকট এলে আমি তাদের থানায় অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেই।

শুনেছিলাম থানায়ই নাকি ঘটনাটি মিমাংসা হয়েছে। কিন্তু শনিবার পিবিআই ঘটনার তদন্তে এলে জানতে পারি আদালতে মামলা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme