সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক ফাঁকা

  • আপডেট : শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩০৯ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: স্বস্তিতে যান চলাচল করছে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক দিয়ে। দেশের ব্যস্ততম এই মহাসড়কে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গসহ ২৩টি জেলার যানবাহনের চাপ প্রতিদিন থাকলেও শনিবার ছিলো পুরোটাই বিপরীত। মহাসড়কের উত্তরবঙ্গ লেনে বাস, ট্রাকসহ পন্যবাহী বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করলেও ঢাকামুখী লেনে অল্প সংখ্যক দুরপাল্লার বাস ও ট্রাক চলাচল করতে দেখা গেছে। শনিবার ১০ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ আশেকপুর এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে। বিএনপির ঢাকার মহাসমাবেশে নেতাকর্মীরা যাতায়াত বন্ধের পরিকল্পনায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরাসহ স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ি ও যাত্রীরা। অন্যদিকে টাঙ্গাইলে পরিবহন নেতারা জানিয়েছে, ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শনিবার টাঙ্গাইল থেকে কোন গণপরিবহন ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে না এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ সিদ্ধান্তের ফলে শনিবার সকাল থেকেই টাঙ্গাইল নতুন বাস টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে কোন বাস ছাড়া হয়নি। এ সকল কারনে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক প্রায় গণপরিবহন শূন্য হয়ে পরেছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু টোলপ্লাজা সূত্র জানা যায়, গত ২৪ ঘন্টায় (৯ ডিসেম্বর রাত ১২টা হতে ১০ ডিসেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত) বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে গণপরিবহনসহ ছোট বড় মিলিয়ে ১৬ হাজার ৬১৬ টি পরিবহন সেতু পারাপার হয়েছে। এতে ঢাকাগামী পরিবহনের সংখ্যার থেকে উত্তরবঙ্গগামী পরিবহনের সংখ্যা বেশি ছিল। এই সময়ে সেতুর পূর্ব টোলপ্লাজা অতিক্রম করেছে ৯ হাজার ১৩৯টি। এতে টোল আদায় হয়েছে ৮৬ লাখ ১ হাজার ৭০০ টাকা। এ ছাড়া সেতুর পশ্চিম টোল প্লাজা অতিক্রম করেছে ৭ হাজার ৪৭৭ টি পরিবহন। এতে টোল আদায় হয়েছে ৭১ লাখ ২১ হাজার ৮০০টাকা। পারাপার হওয়া যানবাহনের মধ্যে ২ হাজার ৪১২টি গণপরিবহন সেতু পারাপার হয়েছে এরমধ্যে ঢাকাগামী ১ হাজার ১৯২টি যাত্রীবাহি বাস সেতু পার হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে ১২/১৩ হাজার পরিবহন সেতু পারাপার হয়ে থাকে বলে দাবি করেছেন সেতৃ কর্তৃপক্ষ।

টাঙ্গাইল বাস-কোস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি জানান, সকল মালিককে বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি তারা সড়কে বাস না নামায় সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবির বাপ্পি জানান, স্বাভাবিকের তুলনায় সেতু দিয়ে কম সংখ্যক পরিবহন পারাপার হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যাত্রীবাহি পরিবহনের সংখ্যা কম ছিল বলে জানান তিনি।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme