সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

মালেশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইলে দুই নিহত পরিবারে চলছে শোকের মাতম

  • আপডেট : বুধবার, ১০ জুলাই, ২০১৯
  • ১৪০৯ বার দেখা হয়েছে।

হাফিজুর রহমান.মধুপুর: মালেশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মাইনুল(৩১) ও মোহাম্মদ(২৮) আলী ।

এই মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দুই পরিবারে চলছে কান্নাকাটির আজাহারি।

ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নের নলহরা আকন্দবাড়ীর আতাব আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী প্রায় ১ বছর আগে পরিবারের সুখের জন্য একমাত্র সামান্য কিছু আবাদী জমি ছিল সেই জমি বিক্রী ও সুধী করে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা নিয়ে মালেশিয়ায় যান।

৭ জুলাই (রোববার) রাতে কোম্পানির কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে জহুর বাহরু জেলার মোয়া থানা এলাকায় রাস্তায় লরির সাথে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

নিহত মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী লতা জানান, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যাক্তি ছিলেন তিনি এখন আর উপার্জন করার মত কেউ রইল না। বিদেশ যাওয়ার সময় নিজেদের আবাদী কিছু জমি ও আশা, ব্রাক, সোসাইটি ফর সোসাল সার্ভিস এনজিও এবং এলাকার বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে চওড়া সুদে প্রায় ৮ লাখ টাকা সুধী নিয়ে বিদেশে যান।

এখন এতগুলো টাকা কে পরিশোধ করবে বলেই কন্নাই মুর্ছাযান। নিহত আলীর স্কুল পড়–য়া দুইটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বড় ছেলে সিয়াম স্থানীয় হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র, শিহাব দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে।

একই এলাকার পাথালিয়া গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে মাইনুল ইসলাম মালেশিয়ায় ঐ সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যান। মাইনুল প্রায় ১২ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় ফার্নিচার ও ডেকোরেশনের কাজ করতেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে তিন মাস ছুটি কাটিয়ে আবারও মালয়েশিয়ায় যান তিনি।

নিহত মাইনুলের স্ত্রী নাসরিন জানান, তার স্বামী তাকে হোমিও প্যাথিক ডাক্তার বানাতে চেয়েছিলো সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল।

নিহতদের লাশ দেশে আনার চেষ্টা চলছে, লাশ দেশে আসারপর পর তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে জানান পরিবার ও আত্বীয়স্বজনরা।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme