সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

সংস্কারের নামে মসজিদ ও পৌরসভার মালিকানায় পুকুরের মাটি বিক্রি করছে সভাপতির ছেলে

  • আপডেট : সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২
  • ৫৬৬ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক বাসাইলঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরমেয়রের কার্যালয় সংলগ্ন পৌরসভা এবং পাশ্ববর্তী মসজিদ মালিকানার একটি পুকুরের সংস্কার দেখিয়ে ভ্যেকু এবং অবৈধ ট্রাফি-ট্রাক্টর ব্যাবহার করে মাটি বিক্রি করছে মসজিদ কমিটির সভাপতি ছেলে রাসেল খানশুর নামের এক ব্যাক্তি। খাড়া করে পুকুরের পাড় কাটা নিয়ে পাশ্ববর্তী বসতবাড়ির বাসিন্দারাও মৌখিক অভিযোগ করেছেন। পৌরমেয়র বলেছেন পুকুর সংস্কার এবং গভীরতা বৃদ্ধির জন্য মাটি কেটে গোরস্থান,মসজিদের রাস্তা তৈরী করা হবে।২০/৩০ হাজার টাকার মাটি বিক্রি হলেও তিনভাগের সামান্য টাকা দিয়ে গাছ লাগানোসহ পৌরসভার উন্নয়নে ব্যায় হবে। মসজিদের পুকুরের মাটি বিক্রি,সেটাও আবার সভাপতির ছেলে হওয়া বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানাযায়, জরাশাহীবাগ জামে মসজিদ, পাশ্ববর্তী গোরস্থান এবং পুকুর নিয়ে একশত ৬৭ ডিসিমল জায়গার ভেতরে প্রায় ৮০ ডিসিমলের মধ্যে পুকুর অবস্থিত। দুই বছর পূর্বে পৌরসভা পুকুরের মালিকানা দাবী করে স্থানীয় যুবকদের কাছে লিজ দেয়। পরে পুকুরের মালিকানা জটিলতায় লিজটি স্থগিত করে পৌরসভা এবং মসজিদের মালিকানায় নেয়া হয়। পুকুরের বিতর্কিত লিজ বাতিল পরবর্তী সময়ে বিষয়টি আড়ালে চলে গেলেও সম্প্রতি মাটি বিক্রি শুরু হবার পর সকলের সামনে চলে আসে। মসজিদের সভাপতি মাটি বিক্রির জন্য তার ছেলে রাসেল খানশুরকে দ্বায়িত্ব দিয়েছেন মাটি বিক্রির বিষয় নিয়ে মসজিদ ও গোরস্থানের সভাপতি এবং পৌরমেয়রের দুই ধরনের বক্তব্য উল্লেখ করেন। একদিকে মসজিদ কমিটির সভাপতি পুকুরের মাটি বিক্রির জন্য কমিটির সাথে কোন মিটিং বা রেজুলেশন করেন নি বা দরকার নেই বলে জানান। অপরদিকে পুকুর সংস্কারের জন্য মাটি কেটে পাড়ে ফেলে মসজিদের রাস্তা তৈরী করা হচ্ছে বলছেন পৌরমেয়র। পুকুর পাড়ের বাসিন্দারা বলেছেন ভ্যেকু দিয়ে এতটাই খাড়া করে মাটি কাটা হচ্চে যে বৃষ্টির ঢলে পুকুরের পাড়তো ভাংবেই সাথে পাড়ের বাড়িগুলোও ভেঙ্গে যাবে।

পুকুর সংস্কার,মাটি বিক্রির বিষয়ে বাসাইল পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন,মাটি বিক্রির সামান্য যে কয় টাকা হবে তা সমান তিন ভাগে ভাগ হবে। পৌরসভার ভাগের টাকা দিয়ে উন্নয়ন কাজ করা হবে।

জড়াশাহীবাগ জামে মসজিদের সভাপতি জয়নাল আবেদীন খানশুর বলেন, কমিটির সবাই সন্মত আছে, মাটি বিক্রির বিষয়ে কারো দ্বিমত নেই। পৌরসভার মেয়রই মাটি নিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে মেয়রের সাথে কথা বলেন। মাটি বিক্রির জন্য নিলাম বা কোন রেজুলেশন করা হয়নি। আমার ছেলেকে মাটি বিক্রির দ্বায়িত্ব দেয়াতে কারো কোন আপত্তি নেই।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme