সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

সখীপুরে ফাইলা পাগলা মেলার ৫০-৬০টি ‘গাঁজা খাওয়ার’ আস্তানা ভেঙে দিয়েছে পুলিশ 

  • আপডেট : শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৯১০ বার দেখা হয়েছে।
আমিনুল ইসলাম,সখীপুর : টাঙ্গাইলের সখীপুরে ফাইলা পাগলার মেলায় অভিযান চালিয়ে ৫০-৬০টি ‘গাঁজা খাওয়ার’ আস্তানা ভেঙে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এসব অস্থায়ী ঝুপড়ি ঘর (আস্তানা) ভেঙে দেয়।
জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই গত সাতদিন ধরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল দাড়িয়াপুর গ্রামে ফাইলা পাগলার মেলা শুরু হয়েছে। গত ৭৪ বছর ধরে চলা এ মেলায় দেশের বিভিন্ন জেলার প্রচুর লোকের সমাগম ঘটে। ২০০৩ সালে ১৭ জানুয়ারি এ মেলা চলাকালে পরপর দুটি বোমা বিস্ফোরণে মাজারের খাদেমসহ আটজন লোক নিহত ও ১৫ জন আহত হন। বোমা হামলার পর কয়েক বছর মেলায় লোকের সমাগম কমে গেলেও এখন আগের মতোই মেলা চলছে।
পুলিশ জানায়, গত সাতদিন ধরে মেলা চললেও ১৫ দিন আগে থেকেই মাজারের চারপাশে কমপক্ষে তিন হাজার দোকানপাট বসেছে। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন ভক্ত আশেকান ওই মেলায় মানতের মোরগ, মুরগী ও খাসি নিয়ে আসছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, মেলা প্রাঙ্গণ থেকে ২০০গজ পূর্বে ৫০-৬০টি ছাপরা ঘর করে সেখানে গাঁজা খাওয়া ও বিক্রি চলছিল। গোপন সংবাদ পেয়ে গতকাল শুক্রবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে গাঁজা খাওয়ার ওইসব ঘর ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো মেলার কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। আগামীকালের মধ্যে মেলার অনুমতি না পাওয়া গেলে মেলা বন্ধ করে দেওয়া হবে।
ফাইলা পাগলার মেলার পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপজেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল শামীম  বলেন, মেলায় কোন অসামাজিক কার্যকলাপ চলতে দেওয়া হবে না। মেলার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে  পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। মেলার অনুমতির জন্য কয়েক দিন আগেই জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। আগামীকালের  মধ্যেই মেলার অনুমতি পাবো বলে আশা করছি।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme