সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

সখীপুরে সেতুর পাশে বাঁশের সাঁকো

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৮৪ বার দেখা হয়েছে।
প্রতিদিন প্রতিবেদক সখীপুর : ২৫ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও এ যাবত পর্যন্ত দুই পাশে সড়ক নির্মিত হয়নি। ফলে সেতুটি দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর। স্থানীয়রা পায়ে হেঁটে চলাচলের জন্য সেতু ঘেঁষে বাঁশের সাঁকো বানিয়েছেন। টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর খামারবাড়ির উত্তর পাশে এই সেতুটির অবস্থান।
দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয়দের কোনো কাজে আসছে না সেতুটি। দুই পাশে মাটি ফেলে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৬ সালে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁর খামারবাড়ি ও দেওবাড়ি এলাকার লোকজনের যাতায়াতের জন্য এ সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে সেতুটি নির্মিত হওয়ার পর কাদের সিদ্দিকী আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হন। এরপর থেকে ওই সেতুটি সেভাবেই পড়ে আছে। স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে পায়ে হেঁটে চলাচলের জন্য প্রতিবছর এইস্থানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়।
সরেজমিন ওই স্থানে গিয়ে দেখা যায়,
উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর খামারবাড়ির উত্তর-পশ্চিমে ধান খেতে ওই সেতুটির অবস্থান। শালগ্রামপুর বাজারের ১০০ গজ পূর্বে পাকা সড়ক থেকে দক্ষিণ দিকে ধানখেতের আইল ধরে ওই সেতুতে যেতে হয়। সেতুর চারপাশ ঘুরে কোথাও কোনো ফলক দেখা যায়নি। এরফলে সেতুটি সরকারের কোন দপ্তর কত টাকায় নির্মাণ করেছিল তা বোঝা যাচ্ছে না।
এর দায়ও নিচ্ছেন না কেউ।
উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী আবদুল বাছেদ বলেন, আমাদের অধিদপ্তর সড়কবিহীন কোন সেতু নির্মাণ করে না। আমার ধারণা সেতুটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে করা। এদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) তাহমিনা চৌধুরী  বলেন, গত ৩০ বছরের তালিকায় এ সেতুটির নাম নেই। আমার মনে হয় অন্য কোন দপ্তরের।
সিলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মান্নান  বলেন, মূলত কাদের সিদ্দিকীর খামারবাড়িতে যাওয়ার সুবিধার্থে এ সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরত্ব তৈরি হওয়ায় ওই সেতুর দুই পাশে সড়ক নির্মিত হয়নি। সেতুটি সেই আগের অবস্থাতেই পড়ে আছে।
উপজেলার দেওবাড়ি গ্রামের আলহাজ মিয়া বলেন, সহজ পথে পায়ে হেঁটে যাওয়ার জন্য আমরা গ্রামবাসী প্রতিবছর সেতুর পশ্চিম পাশ ঘেঁষে বাসের সাঁকো নির্মাণ করে যাতায়াত করি। সেতুর দুই পাশে সড়ক থাকলে আমরা যানবাহন নিয়ে সহজে গ্রামে যেতে পারতাম। এখন আমাদের যানবাহন যোগে গ্রামে যেতে হলে ২ কিলোমিটার ঘুরতে হয়।
দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার আসিফ বলেন, জনসাধারণের যাতায়াতের জন্য সেতুর দুই পাশে সড়ক নির্মাণ হওয়া খুবই প্রয়োজন। এই সেতু যাতে দ্রুত কার্যকর হয়  আমি উপজেলা পরিষদের সভায় কথা বলব।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme