সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

নাগরপুর গণহত্যা দিবস পালিত

  • আপডেট : শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৮৫১ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক নাগরপুর : নাগরপুরে গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে উপজেলার বনগ্রাম গণকবরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ ফয়েজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংসদ আহসানুল ইসলাম টিটু।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার,

উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর, ছামিনা বেগম শিপ্রা, গয়হাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান আসকর, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জয়নাল আবেদিন, অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী।

এ সময় উপজেলার সকল মুক্তিযোদ্ধা সহ বিভিন্ন স্তরের ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের এই দিনে নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের বনগ্রামের রসুলপুর গ্রামে ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ঘটে ছিল বর্রবরোচিত লোমহর্ষক এক হত্যাকান্ড। হামলায় নিরীহ গ্রামবাসীসহ ৫৭ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। শত শত ঘর-বাড়িতে অগ্নি সংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছিল শশ্য সহ গবাদিপশু। পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত রেহাই পায়নি কেউই।

হত্যা যজ্ঞের পর হানাদার বাহিনী চলে গেলে গ্রামবাসীর সহায়তায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বনগ্রামে গন কবর দেয়া হয়। সেই থেকে প্রতি বছর এই দিনে শ্রদ্ধা জানাতে মুক্তিযোদ্ধা, নিহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও গ্রামবাসীরা ছুটে যান এ গণকবরে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme