সংবাদ শিরোনাম:
ঘাটাইলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন গোপালপুরে বিনামূল্যে ৪ টি হতদরিদ্রের পরিবারের মাঝে বকনা গরু বিতরণ  টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থী আসিফ হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে মাজারের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, এক পক্ষের দখলমুক্ত করার দাবি, অন্য পক্ষের প্রতিবাদ ঘাটাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অযত্ন-অবহেলায় সাগরদীঘি বিনোদন কেন্দ্র ধ্বংসের মুখে ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন  টাঙ্গাইলে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ টাঙ্গাইলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৫০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন পুলিশ সুপার নাগরপুরে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালিত

গোপালপুরে মাহমুদপুর গণহত্যা দিবস পালিত

  • আপডেট : শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৭১১ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক গোপালপুর: টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার মাহমুদপুর গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন ও গোপালপুর প্রেসক্লাবের সহযোগিতায় শনিবার বিকালে মাহমুদপুর বটতলায় ‘স্বাধীনতা ৭১’ স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসফিয়া সিরাত এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন বাঙ্গাল। প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনূছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও আলমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মোমেন, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল মোর্শেদ, প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন, হাদিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিলকিছ জাহান, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সম্পাদক শফিকুল ইসলাম প্রমূখ।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পাকহানাদার বাহিনী দুই শতাধিক রাজাকার ও আলবদর সদস্যদের নিয়ে গোপালপুর উপজেলা সদর থেকে মাহমুদপুর গ্রামে আসে। হানাদাররা প্রথমে বঙ্গবন্ধুর সহচর ও নির্বাচিত এমএনএ হাতেম আলী তালুকদারের বাড়িতে লুটপাটসহ অগ্নিসংযোগ করে বাড়িঘর ভস্মীভূত করে দেয়। পরে হানাদার বাহিনীর দল চাতুটিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে পৌঁছলে ধনবাড়ী উপজেলার পানকাতা হাইস্কুল প্রাঙ্গণে অবস্থান করা কাদেরিয়া বাহিনীর কোম্পানী কমান্ডার হুমায়ুন বাঙ্গালের নেতৃত্বে স্বল্প সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত হয়। কিন্তু যুদ্ধের রসদ ফুরিয়ে গেলে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়।

এরপর হানাদার বাহিনী এলাকায় নরহত্যা শুরু করে। এসময় তারা গ্রামের নিরীহ মানুষকে আটক করে মাহমুদপুর বটতলা নিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে। এতে ১৭ জন শহীদ হন। অবশিষ্টরা গুরুতর আহত হয়। নিহতদের মধ্যে এমএনএ হাতেম আলী তালুকদারের কনিষ্ঠ ভ্রাতা হায়দার আলী তালুকদার ছিলেন অন্যতম। হতাহতরা পঙ্গু হয়ে অনেকেই এখনো বেঁচে রয়েছেন।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme