সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

মধুপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে হয়রানির শিকার নিরীহ পরিবার

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৪৮১ বার দেখা হয়েছে।
প্রতিদিন প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধে বিক্রিত জমিতে প্রতিপক্ষ বার বার বাঁধা দেয়ায় একটি পরিবার চরম ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভোক্তভোগী পরিবারের আইয়ুব আলী জানান, মধুপুর উপজেলার চুনিয়া মৌজার গোবুদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের মাজম আলী ও নওয়াজ আলী খানদ্বয়ের কাছ থেকে তার বাবা নূর মুহাম্মদ ১৬৯ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। দাতারা জমি বিক্রি করার পর অন্যত্র চলে যায়। জমি ক্রয়ের পর ৪০/৪২ বছর যাবৎ গ্রহিতা ও তার পরবর্তী প্রজন্মের উত্তরসূরিরা ভোগ দখল করে চাষাবাদ করে আসছে। হালচাষ করা আনারস কলাসহ নানা প্রকার কৃষি ফসল চাষাবাদ করে দিনাতিপাত করে আসছে। হঠাৎ করে দীর্ঘ ৪০ বছর প্রতিপক্ষ দুলাল (৪২), বাবুল (৪৪),রফিকুল (৪০) গংরা এসে পুনরায় তারা এ জমি তাদের দাবি তোলেছে বলে আইয়ুব আলী জানান।
তিনি আরও জানান, এ নিয়ে স্থানীয় বেরিবাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মধুপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র পৃথক দুটি শালিশ বৈঠক করে। এতে আপোষ মীমাংসার নিমিত্তে বিবাদী প্রতিপক্ষদের ৪৫ শতাংশ বুঝিয়ে দেন। যাতে ঐ জমিতে আর কোন বিরোধ না থাকে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঐ জমি দেয়ার পরও প্রতিপক্ষ আবার তাদেরকে হয়রানির জন্য আবার নতুন করে জমি দাবি করাসহ নানা হয়রানি করছে।
এ অভিযোগ এনে টাঙ্গাইল কোর্টে জীবনের নিরাপত্তাসহ বিবাদীয় জমিতে হালচাষ র্নিবিঘ্নে করার জন্য ১৪৪ ধারা জারি চাইলে, মধুপুর থানা পুলিশ গিয়ে ১৪৪ ধারা করে।
আবেদনে তারা উল্লেখ করেছে , তাদের কলাসহ কৃষি ফসল লুট ও ক্ষতিগ্রস্থ করেছে। এতে ৩০ হাজার আনারসের চারা উঠানো, ৪ হাজার আনারস ভেঙে নেয়া, ৩ শ’ কলার ছড়ি নষ্ট করেছে বলে আবেদনে উল্লেখ করেছে। যার ক্ষতির পরিমান প্রায় ৬ লক্ষ টাকা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ক্ষতি সাধনের সময় তারা জমিতে গেলে তাদেরকে হুমকি ও মারপিট করবে এমন অভিযোগ করেছেন। এ সব তথ্য মামলার বিবরন ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বেরিবাইদ ইউপি চেয়ারম্যান প্রতিপক্ষ শালিশে হাজির হয় না, তার সিদ্ধান্ত না মানাসহ বিভিন্ন বিষয় তোলে প্রতিবেদন দিয়েছে।
এ বিষয় বেরিবাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুলহাস উদ্দিন জানান, ঐ জমিটা দুলালের বাবা আইয়ুবের বাপের কাছে বিক্রি করছে। এ নিয়ে বারবার সালিশ হয়েছে। গত বছর শালিশ করে সিদ্ধান্ত মতে আর জমি দাবি করবে না মর্মে দুলালদের কে ৪৫ শতাংশ জমি ও ৪০ হাজার টাকা দেয়া হয়। দুলাল বিষয়টি নিয়ে খামখেয়ালি করতেছে।
দুলাল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তাদের জমি বিক্রি করে থাকলে দলিল থাকার থাকার কথা সে দলিল তারা দেখাতে পারে না। তিনি বলেন এ জমিতে তারা ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এ জমি তার বাবা স্থানীয়দের কাছে লিজ দিয়ে ছিল, তাদের কাছ থেকে ওরা লিজ নিয়েছে। তার দাবি এ জমি খাস এবং ওদের রেকর্ডকৃত জমি এ দাগের নয়।
মধুপুর থানার এস আই আরিফুল ইসলাম জানান, গত মাসে মামলার অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে তদন্ত করতে গিয়ে ছিলেন। তিনি ঐ জমির আনারসের চারা কলা কেটে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়ে ছিল বলে জানান। গত রবিবার থেকে ঐ জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme