সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

ভূঞাপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৭৬ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অবৈধভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় গড়ে উঠেছে দোকানপাটসহ নানা স্থাপনা। এসব অবৈধ দোকান থেকে প্রতিমাসে ভাড়া উত্তোলন করাসহ নতুন করে দোকান বরাদ্দ দিচ্ছেন জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের মো. কাদের ওরফে রিপন নামে এক কর্মচারী। তবে তিনি ভূঞাপুর ও গোপালপুর উপজেলার সুপারভাইজার হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছেন।

সরেজমিনে ভূঞাপুর পৌরসভা সংলগ্ন লৌহজং নদীর সুইটগেট এলাকায় কমপক্ষে ৮ থেকে ১০ টি দোকান গড়ে উঠেছে। তারমধ্যে- ফার্নিচারের দোকন, মোটরসাইকেল সার্ভিসিংয়ের দোকান ও স্যানেটারি তৈরির কারখানাসহ দুইটি চায়ের দোকান রয়েছে। কর্মচারী কাদের সুইটগেটের পাশেই সম্প্রতি আরও একটি নতুন করে টিনের দোকান নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘ কয়েক বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় অবৈধভাবে দোকান নির্মাণের জন্য সিকিউরিটি নিয়ে দোকান ভাড়া দিয়েছে এখানে দায়িত্বরত কাদের ওরফে রিপন। তিনি সরকারি বাসায় প্রায় ৮ বছর ধরে রয়েছেন এবং বাসায় গরুর খামার। এসব দোকান থেকে প্রতিমাসে ভাড়া উত্তোলন করে আসছেন।

ফার্নিচার ব্যবসায়ী আমান আলী বলেন, ‘তিন বছর আগে কাদেরকে সিকিউরিটির টাকা দেয়ার পর তিনি টিনের একটি ঘর নির্মাণ করে দেন। পরে সেখানে ফার্নিচারে আসবাবপত্র বিক্রি করে আসছি। এই ঘরের প্রতিমাসে ভাড়া ১ হাজার ৫০০ টাকা।’

চায়ের দোকানদার ফারুকের স্ত্রী বলেন, ‘৮০ হাজার টাকা সিকিউরিটি দিয়ে ঘরটি নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রতিমাসে ১ হাজার ২০০ টাকা করে ভাড়া দিয়ে আসছি।’

সুপারভাইজার পরিচয়দানকারী কার্যসহকারী মো. কাদের ওরফে রিপন বলেন, ‘এরআগে এখানে যে দায়িত্বে ছিলেন তিনিও এসব দোকান থেকে ভাড়া আদায় করতো। আমি দায়িত্বে আসার পর থেকে ভাড়া উত্তোলন করে আসছি। তবে, কোনো সিকিউরিটি নেওয়া হয়নি।’

টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌলশী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় কোনো স্থাপনা করে ভাড়া দেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো ব্যক্তি যদি এমনটা করে থাকে তাহলে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

 

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme