সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

টাঙ্গাইলে তামাক কর ও মূল্য বৃদ্ধি বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন

  • আপডেট : শুক্রবার, ২৫ মার্চ, ২০২২
  • ৪৯৪ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা র্ডপ’র উদ্যোগে ২৫ জন বিড়ির শ্রমিকদের সাথে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক কর ও মূল্য বৃদ্ধি বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী গতকাল বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ঘারিন্দা ইউনিয়নের বড়রিয়া এলাকায় কালি মন্দিরে ওরিয়েন্টেশনের আয়োজন করা হয়।

ওরিয়েন্টেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. লুৎফর রহমান। এতে বিড়ি শ্রমিক নেত্রী সপ্না বেগম এর সভাপতিত্বে ও ডেভেলপমেন্ট অরগানাইজেশন অব দি রুরাল পুয়র-র্ডপ এর ফেসিলিটিটর মো. গুলজার হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিড়ি শ্রমিক মো. আঃ লতিফসহ অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. লুৎফর রহমান বলেন, বিড়ি বা তামাকজাত দ্রব্য জনস্বাস্থ্যেও জন্য খুবই ক্ষতিকর। এই শিল্পের সাথে যারা জরিত তারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে সবাই ক্ষতিগ্রস্থ। তাই তামাক কর ও মূল্য বৃদ্ধি করা অবশ্যই প্রয়োজন। তামাক কর বৃদ্ধি করা হলে ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে তামাকমুক্ত দেশ গড়া সম্ভব হবে। প্রাপ্তবয়স্ক ও তরুন ধুমপান থেকে নিরুসাহিত হবে। তামাক ব্যবহারকারীদেও তামাকজনিত রোগ যেমন হৃদরোগ, স্ট্রোট, সিওপিডি বা ফুসফুসের ক্যান্সার হবার ঝুঁকি থাকে।

ওরিয়েন্টেশনে বক্তরা বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রেক্ষিতে তামাককর বৃদ্ধি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং কর বৃদ্ধি হলে-প্রায় ১৩ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান হতে বিরত থাকতে উৎসাহিত হবে, ৮ লক্ষ ৯৫ হাজারের অধিক তরুন ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবে, ৪ লক্ষ ৪৫ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৪ লক্ষ ৪৮হাজার তরু ও জনগোষ্ঠির অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme