সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

টাঙ্গাইলে তিন ছাত্রী ধর্ষনে দুইজনের স্বীকারোক্তি॥ আসামীরা কারাগারে

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২০
  • ২১৭১ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : ঘাটাইলে স্কুল থেকে বেড়াতে গিয়ে নবম শ্রেনীর তিন ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে দুই আসামী। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারী) সন্ধায় টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন বিচারক সুমন কুমার কর্মকার ও আরিফুল ইসলাম।

এদিকে একই সময়ে নির্যাতনের শিকার তিন স্কুলছাত্রীর জবানবন্দিও গ্রহন করা হয়। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ফারজানা হাসনাত ও নওরিন মাহবুব তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আসামীদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

টাঙ্গাইল আদালতের সরকারী কৌশলী (পিপি) এডভোকেট এস আকবর খান জানান, মঙ্গলবার বিকেলে তিন আসামীকে আদালতে হাজির করা হয়। এরা হলো- ইউসুফ, বাবুল ও সুজন। এদের মধ্যে বাবু ও ইউসুফ স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।

সোমবার দুপুরে ধর্ষনের শিকার তিন ছাত্রীর মধ্যে একজনের বাবা অজ্ঞাতনামা ৫/৭ জনকে আসামী থানায় মামলা করলে পুলিশ তাদেরকে আটক করে।

রোববার ঘাটাইল সালেহা ইউসুফজাই বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের দোয়া ও বিদায় অনুষ্ঠান ছিলো। ওই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির চার ছাত্রী বিদ্যালয়ে এসে পাহাড়ি এলাকায় ঘুরতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

দুপুর দেড়টায় তারা ঝড়কা এলাকায় গেলে তাদের সাথে যোগ দেয় বন্ধু হৃদয় ও শাহীন। পরে তারা অটোরিক্সাযোগে সাতকুয়া এলাকায় গেলে ৫-৭ জন অজ্ঞাতব্যক্তি তাদের ঘিরে ফেলে। এসময় তাদের বন্ধু হৃদয় ও শাহীনকে মারধর করে তিন জনকে ধর্ষণ করে এবং অপর একজনকে লাঞ্চিত করে।

পরে পালিয়ে যায় ধর্ষকরা। ওই চার ছাত্রীর মধ্যে একজন পাশের এলাকায় নানীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়।

সেখান থেকে মোবাইল ফোনে অভিভাবকদের বিষয়টি জানালে তারা পুলিশকে খবর দেয় । পরে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

এ ঘটনায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তিনসদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কমিটির রিপোর্ট এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের তত্বাবধায়ক সদর উদ্দিন।

ঘাটইল থানার তদন্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, গত রোববার দুপুরে ঘাটাইলের একটি স্কুলের মিলাদেও অনুষ্ঠান শেষে নবম শ্রেনীর চার বান্দবী ও তাদের দুই বন্ধু মিলে ঝড়কা বন এলাকায় বেড়াতে যায়। এসময় স্থানীয় ১০/১২জন বখাটে তাদের পিছু নেয়।

পরে গভির জঙ্গলের ভিতরে গেলে বখাটে উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের সাতকুড়া এলাকার ইফসুফ, বাবু এবং ঘাটাইল পৌর এলাকার উল্টর পাড়া গ্রামের সুমন তাদের উপরে আক্রমন করে এক বান্দবী ও দুই বয় ফ্রেন্ডকে গাছের সাথে বেধে বাকী তিন বান্দবীকে জোর পূর্বক পালাক্রমে ধর্ষন করে ধর্ষকরা সন্ধার পরে তাদের রেখে পালিয়ে যায়। পরে এক ধর্ষিতার নানীর বাড়ি বন এলাকার কাছে থাকায় সবাই মিলে সেখানে আশ্রয় নেয় তারা।

পরে নানীর বাড়ির লোকজন ধর্ষিতা কিশোরীদের বাড়িতে সংবাদ দিলে পরিবারের লোকজন ঘাটাইল থানায় বিষয়টি অবহিত করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।

এব্যাপারে এক ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে (মোঃ আবুল কাশেম) অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনকে আসামী করে ঘাটাইল থানা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে।

ধীর্ষতা কিশোরীদের ডাক্তারী পরিক্ষা সম্পূন্য হয়েছে। পরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে সন্ধানপুর ইউনিয়নের সাতকুড়া এলাকা থেকে ইফসুফ ও বাবু এবং সুমনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme