সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

টাঙ্গাইলে বন্যায় ১ লক্ষ ৭৩৯১ জন কৃষকের ক্ষতি

  • আপডেট : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২০
  • ৬৬৬ বার দেখা হয়েছে।

কাজল আর্য : চলমান বন্যায় টাঙ্গাইল জেলায় ১৮ হাজার ১২৬ হেক্টর নিমজ্জিত জমির মধ্যে ১৩ হাজার ৮৯২ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এতে ১ লক্ষ ৭ হাজার ৩৯১ জন কৃষকের ১৪১২৫.০৭ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

জেলার ১২টি উপজেলা ভূঞাপুর, টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী, মির্জাপুর, নাগরপুর, বাসাইল, ধনবাড়ী, ঘাটাইল, গোপালপুর, সখীপুর ও দেলদুয়ারে বন্যার প্রভাব পড়েছে। যমুনা, ধলেশ্বরী ও ঝিনাই নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে বেশি ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বর্তমানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি ও ফসলের ক্ষয়-ক্ষতি।

উপ-পরিচালকের কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় বোনা আমন ১০ হাজার ৫৮৮ হেক্টর, বোনা আমন বীজতলা ১ হাজার ৩৫৯ হেক্টর, আউশ ১ হাজার ৮০৮ হেক্টর, সবজি ১ হাজার ৪৬৪ হেক্টর, পাট ৭৬৫ হেক্টর, তীল ১ হাজার ৬৫২ হেক্টর, আখ ৬৫ হেক্টর, কলা ৪৫ হেক্টর এবং লেবু ৩৮০ হেক্টর জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

গত ১১ জুলাই পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে ৫ হাজার ৯২৮ হেক্টর নিমজ্জিত জমির মধ্যে ৩ হাজার ৮৪০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এতে ২৭ হাজার ২৩৩ জন কৃষকের ৪১৫৫.০৭ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়।

গত ১৩ আগষ্ট পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ে ১২ হাজার ১৯৮ হেক্টর নিমজ্জিত জমির মধ্যে ১০ হাজার ৫১ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এতে ৮০ হাজার ১৫৮ জন কৃষকের ৯৯৭০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা বলেন, একদিকে করোনা, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদী বন্যা। দুই মিলিয়ে আমাদের অবস্থা খুবই শোচনীয়। ভবিষ্যতে আরো ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখীন হতে হবে আমাদের। কর্মহীন হয়ে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক আহসানুল বাশার আমাদের সময়কে বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সরকারিভাবে আর্থিক সাহায্য করা হবে না। পর্যায়ক্রমে অধিক ক্ষতিগ্রস্থ ৪ শ’ জন কৃষককে বিনামূল্যে চারা, ৪ হাজার কৃষককে মাস কলাইয়ের বীজ ও সার, ৮ হাজার কৃষককে সবজি বীজ, প্রতি উপজেলার ১৬ জন করে কৃষককে মেশিনের সাহায্যে বীজ বপন করে দেওয়া হবে। সেইসাথে কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme