সংবাদ শিরোনাম:
ঘাটাইলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন গোপালপুরে বিনামূল্যে ৪ টি হতদরিদ্রের পরিবারের মাঝে বকনা গরু বিতরণ  টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থী আসিফ হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে মাজারের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, এক পক্ষের দখলমুক্ত করার দাবি, অন্য পক্ষের প্রতিবাদ ঘাটাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অযত্ন-অবহেলায় সাগরদীঘি বিনোদন কেন্দ্র ধ্বংসের মুখে ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন  টাঙ্গাইলে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ টাঙ্গাইলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৫০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন পুলিশ সুপার নাগরপুরে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালিত

টাঙ্গাইলে সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১২৪১ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির চিকিৎসার জন্য অন্তবর্তী জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত প্রথম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ এ আদেশ দেন। শারিরীক ও মানবিক দিক বিবেচনায় শর্ত সাপেক্ষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন পর্যন্ত এ জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

সহিদুর রহমান খান টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খানের ভাই এবং ওই আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় বর্তমান সাংসদ আতাউর রহমান খানের ছেলে। প্রায় ১৪ মাস ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

আসামীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল বাকি মিয়া বলেন, এই মামলার স্বীকারোক্তি গ্রহণকারী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রানী দাসের সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সাক্ষী না আসায় আমরা বিচারকের কাছে সহিদুরের জামিন প্রার্থনা করি। এবং সহিদুরের শারিরীক অসুস্থ্যতার প্রতিবেদন দাখিল করি।

পরে রাষ্ট্রপক্ষের নিয়োজিত অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জামিনের বিরোধীতা করেন। এসময় আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে দুপুর ২ টায় জামিন বিষয়ে আদেশ প্রদানের কথা বলেন। দুপুর ২ টার পরে শর্ত সাপেক্ষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন পর্যন্ত এ জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় ছয় বছর পলাতক থাকার পর গত বছরের ২ ডিসেম্বর সহিদুর টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাঁর জামিন আবেদন বার বার নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। তারপর থেকে তিনি কারা হেফাজতে। গত ১৮ আগস্ট কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর তাঁকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে তাঁকে আবার টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপর থেকে তিনি শারিরীকভাবে আরো অসুস্থ্য হয়ে পড়েন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে ওই দুজন হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান, তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খানের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme