সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

টাঙ্গাইল জেলা দুই জোনে বিভক্ত

  • আপডেট : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২০
  • ১৪৪৬ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : করোনা ভাইরাস শনাক্ত রোগীর হার বিবেচনা করে টাঙ্গাইল জেলায় হলুদ ও সবুজ (ইয়েলো ও গ্রীন) এ দুইটি জোনে বিভক্ত করা হয়েছে ।

জোন ভিত্তিক বন্টনে ৮ টি উপজলাকে হলুদ (ইয়েলো) ও ৪ টি উপজেলাকে সবুজ (গ্রীন) জোন চিহ্নিত করা হয়।

জেলার হলুদ বা ইয়েলো জোনের উপজেলা হলো, টাঙ্গাইল সদর, মির্জাপুর, মধুপুর, ধনবাড়ি, গোপালপুর, সখিপুর, নাগরপুর ও কালিহাতী ।

 সবুজ (গ্রীন) জোনের উপজেলা হলো, ঘাটাইল, ভূঞাপুর, বাসাইল ও দেলদুয়ার ।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো.শহীদুল ইসলাম জানান, করোনা শনাক্তের হার বিবেচনা করে জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে আটটি উপজেলাকে ইয়েলো এবং চারটি উপজেলাকে গ্রিন জোনে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এতে ইয়েলো জোনে স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে অধিক তৎপরতা চালানো হবে। এছাড়া গ্রীন জোন গুলোতেও স্বাস্থ্য বিধি পালনে তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি ।

উল্লেখ্য, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন এলাকাকে লাল, সবুজ ও হলুদ এই তিন কালার তিন ভাগে ভাগ করে জোনভিত্তিক লকডাউন করেছে সরকার।

ইতিমধ্যে কোথায় কী ধরনের অঞ্চল হবে সে ব্যাপারে বিস্তারিত রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে।

করোনা রোগী শনাক্তের হার অনুযায়ী লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হয়েছে।

তবে লাল, হলুদ ও সবুজ এই রঙ দিয়ে এলে কী বোঝানো হয়েছে তা অনেকেই জানেন না।

অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় করোনা আক্রান্তের হার অনেক বেশি। এসব এলাকায় লাখে ৩০ জনের বেশি সংক্রমিত ব্যক্তি থাকবেন।

ওই এলাকা পুরোপুরি লকডাউন থাকবে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না। জরুরি সেবাদান ছাড়া সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

হলুদ জোন

রেড জোনের তুলনায় অনেক কম সংক্রমণ থাকলে হলুদ জোনে। লাখে ৩ থেকে ২৯ জন সংক্রমিত থাকলে সেই এলাকা হলুদ জোন হিসেবে চিহ্নিত হবে।

সবুজ জোন

১৪ দিনের মধ্যে কোনো এলাকা বা জেলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া না গেলে ওই জেলাকে সবুজ জোন বলা হবে।

তবে এ তিন জোনের প্রত্যেকে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme