সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

টাঙ্গাইল পূজামন্ডপে সরকারের দেয়া ৪৩ টাকার চাউল ১৯ টাকায় বিক্রি

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৯
  • ১১৩০ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : জননেত্রী শেখ হাসিনা এবার পূজা উপলক্ষে টাঙ্গাইলের প্রতিটি পূজামন্ডপে প্রতিকেজি ৪৩ টাকা ধরে ৫০০ কেজি চাল দিয়েছেন।

সেই চাউল ১৯ টাকা ধরে বিক্রির পরামর্শ দেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন।

যার চাউল তার গোডাউনে রয়ে গেল। মধ্যে থেকে গোডাউন মালিক কেজি প্রতি ২৫ টাকা লাভবান হলেন।

মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জিআর চাল বিতরণ অনুষ্ঠানের টাঙ্গাইলে ২০১টি পূজামন্ডপে সরকারের পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত সাধারণ সহায়তার (জিআর) চাউল ১৪১টি মন্ডপের প্রতিনিধির হাতে ডিও (চাহিদাপত্র) তুলে দেওয়ার সময় এমপি মো. ছানোয়ার হোসেন তাদের বিক্রির পরামর্শ দেন।

তার পরামশের্ পূজামন্ডপের লোকজন ডিও সংগ্রহ করে বিক্রির জন্য উদযাপন কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের শহরের বড় কালিবাড়ীর তৃতীয় তলা ভবনের নিচতলায় অপেক্ষারত টাঙ্গাইল গোদি ঘরের (টিআর, কাবিখা, জিআর চাউল কেনার) এক প্রতিনিধির কাছে একে একে সবার ডিও’র নিচে দুইটি স্বাক্ষর দিয়ে ৪৩ টাকার চাউল ১৯ টাকা ধরে ৫০০ কেজি চাউলের দাম ৯ হাজার ৫০০ টাকা পাওয়ার কথা থাকলেও ৯ হাজার টাকা দিয়ে দিচ্ছেন।

এনায়েতপুরের পূজা-মন্ডপের সভাপতি গৌতম জানান, এমপি প্রতিকেজি চাউল ১৯ টাকা দরে বিক্রির জন্য বললেও এখানে এসে দেখি তারা গড়ে ৫০০ টাকা কম দিয়ে ৯ হাজার টাকা দিয়েছেন। তবু তিনি খুশি।

কারণ এই টাকা বা চাউল এখন নগদে না নিয়ে পরে আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটা সংশ্লিষ্টরাই খেয়ে ফেলবেন। তার চেয়ে ভালো চাউল অথবা টাকা নেওয়া।

অতুল নামের একজন জানান, সিন্ডিকেটের কারণে বাইরেও চাল বিক্রি করা যায় না। আর চাল বিক্রি করেও উপায় নেই, কারণ এই চাল নিতেও অনেক ঝামেলা, খেতেও ভাল হবে না। কারণ একই চাল বছরের পর বছর গোডাউনেই পড়ে থাকে সিন্ডিকেটের কারণে।

তিনি বলেন, এই চাল তারা কিনে রাখলো। আর এই চালই সরকারের কাছে আগামীতে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করবে। সংশ্লিষ্টরা আবার এটা আমাদের জন্য বরাদ্দ দেবে। আবার তারা কিনে রাখবে। তাহলে এই চালের কিছু থাকবে?

পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার দাস জানান, বাইরে এই চাল ১৪-১৫ টাকা দরে বিক্রি করতে হবে। তার চেয়ে এমপি ১৯ টাকা দরে চাল বিক্রি করার কথা বলেছেন। এখানে আমরা গড়ে ৫০০ টাকা কম দিয়েছি।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতিকুল ইসলাম জানান, যে চাল পূজা উপলক্ষে বিতরণ করা হয়েছে সেগুলো বাজার থেকে ৪৩ টাকা দরে কেনা হয়েছিল।
তাহলে এমপি মো. ছানোয়ার হোসেন কেন চাল ১৯ টাকা কেজি দরে বেচে দিতে বললেন?- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme