সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

নাগরপুরে এক গৃহবধুর দুই স্বামী নিয়ে চাঞ্চল্য

  • আপডেট : শনিবার, ২২ জুন, ২০১৯
  • ১২৯৭ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক নাগরপুর : নাগরপুরে প্রথম স্বামীকে তালাক (ডিভোর্স) না দিয়ে সাত বছরের এক কন্যা সন্তানের জননী গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করার এক চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে।

বর্তমানে ওই গৃহবধু সন্তান সহ তার প্রথম স্বামীর বাড়ীতে দিব্যি বসবাস করে যাচ্ছে বলেও জানা গেছে । চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের কোল কুষ্ঠিয়া গ্রামে।

সরেজমিনে জানা যায়, সদর ইউনিয়নের কাশাদহ গ্রামের মৃত জিন্নত মিয়ার মেয়ে রওশনারা আক্তারের সাথে কোল কুষ্টিয়া গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে কাতার প্রবাসী মিজানের প্রায় ১০ বছর আগে বিয়ে হয়।

দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাদের সংসারে রয়েছে ৭ বছরের এক কন্যা সন্তান। এদিকে স্বামী মিজান বিদেশে থাকার সুযোগ নিয়ে ওই গৃহবধু সলিমাবাদ ইউনিয়নের ঘুনিপাড়া গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে মো. শহিদুল ইসলামের সাথে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

এক পর্যায়ে ওই গৃহবধু রওশনারা প্রথম স্বামীকে তালাক (ডিভোর্স) না দিয়ে ছলনার ফাদে ফেলে ২০১৭ সালের ২৯ জানুয়ারী শহিদুল ইসলামকে টাঙ্গাইলের নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ৪ লক্ষ টাকা দেনমোহর ধরে বিয়ে করে। যার রেজি নংঃ এ, বালাম নং -০১/১৭ পৃষ্ঠা নং ৫৭। দেনমোহরের টাকা

অসৎ উদ্দেশ্যে হাতিয়ে নিতে গৃহবধু রওশনারা তার দ্বিতীয় বিয়ের দীর্ঘ দশ মাস পরে প্রথম স্বামী মিজানকে তালাক দেয়। এরপর দ্বিতীয় স্বামীর বিরুদ্ধে দেনমোহরের টাকার দাবিতে আদালতে মামলা করে।

সদর উনিয়নের নিকাহ রেজিষ্টার আব্দুল্লা হেল বাকী জানান, ৪৯৪ ধারা মোতাবেক কোন নারী দ্বিতীয় বিয়ের পূর্বে তার প্রথম স্বামীকে অবশ্যই ডিভোর্স দিতে হবে এবং কমপক্ষে ৯০ দিন তাকে অপেক্ষা করতে হবে।

কোল কুষ্ঠিয়া গ্রামে মিজানের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, গৃহবধু রওশনারা তার কন্যা সন্তান সহ প্রথম স্বামীর সাথেই সংসার করছে।

এ সময় রওশনারার প্রথম স্বামী মিজান জানান, তার স্ত্রী (রওশনারা) ভূল করে ছিল। গ্রামের মাতব্বরদের সুপারিশে তাকে ঘরে তুলে সংসার করছি। প্রথম স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করা আইনগত বৈধতা আছে কিনা জানতে চাইলে রওশনারা জানায়, বৈধ অবৈধ জানিনা আমার দেনমোহরের টাকা চাই।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme