সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

নাগরপুরে রাস্তার সরকারি গাছ কেটে নিল মেম্বার

  • আপডেট : সোমবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১৩৭১ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক নাগরপুর : নাগরপুর উপজেলার ভাদ্র ইউনিয়ন এর মেম্বার সাইফুল এর বিরুদ্ধে রাস্তার দুপারের সরকারি গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে অনুসন্ধান করে জানা যায় ইউপি সদস্য সাইফুল ও তার সহযোগীরা প্রায় ৮০-৯০ টি আকাশী, ববলা গাছ বন বিভাগের লিখত অনুমোদন ছাড়াই বিক্রি করেছে।ভাদ্র ইউনিয়নের (আড়রা কুমেদ থেকে টেপরি) অধাপাকা সড়কের দুই পাশের প্রায় ৮০-৯০ টি গাছ বিক্রির বরেন।

সাইফুল মেম্বার এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি গাছ বিক্রির কাথা স্বীকার করে বলেন, গাছগুলো আমরা সমিতির মাধ্যমে প্রায় ১৫-১৭ বছর আগে রোপন করেছিলাম এবং পরবর্তীতে বন্যায় ক্ষতি হলে বন কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। এলাকার অনেকেই গাছ কেটে নিচ্ছে।

তাই আমরা সমিতির সদস্যরা তা ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছি। গাছের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় ১৫-২০ টি গাছ হবে, তবে আমার সঠিক জানা নেই। অপর দিকে ঐ গাছগুলো ক্রেতা আজম মিয়া বলেন, আমি গরীব লোক সরল বিশ্বাসে এই গাছগুলো ৭৫ হাজার টাকায় ক্রয় করেছি।

আমি প্রথমে ক্রয় করতে না চাইলে মেম্বার ও তার সহযোগীরা আমাকে বিভিন্ন ভাবে ঐ গাছগুলো ক্রয়ে উদ্ভুদ্ধ করে। আমি সকল সদস্যের মতামত নিয়ে বিক্রি হচ্ছে কি না জানতে চাইলে সাইফুল মেম্বার আমাকে এটা কাগজ করে দেয় যেখানে ১১ জন সমিতির সদস্যদের নাম রয়েছে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান এর সাথে এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এই অভিযোগ আমি পেয়ে সাইফুল মেম্বার কে মোবাইলে সরকারি গাছ বিক্রি ও কর্তন থেকে বিরত থাকতে বলেছি।

তবে সরকারি প্রোগ্রাম ও ছুটির দিন থাকায় ঐ স্থানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। মেম্বার যদি বন বিভাগের নিষেধ অমান্য করে গাছ কর্তন বা বিক্রি  করে থাকে তবে তাহার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme