সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

মির্জাপুরে সন্ত্রাসী হামলায় দুইজন আহত

  • আপডেট : শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
  • ১০০৯ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের কাটরা দক্ষিন পাড়া গ্রামে হত্যার উদ্দেশ্যে গত ২৭ মে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার সময় সন্ত্রাসী ফারুক খান ও হামিদুল খানের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জনের একটি বাহিনী দেশীয় আব্দুল আলিমের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় তার দোকানে থাকা লোকজন বাঁধা প্রদান করলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকেও মেরে আহত করে।

তাদের মধ্যে আব্দুল আলিম (৭০) ও লাবু তালুকদার (৫৫) অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় স্থানীয়রা তাদের দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাবু তালুকদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার্ড করেন।

সরেজমিনে জানা যায়, তচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আহত আব্দুল আলিমের মেয়ে বিউটি আক্তার জানান, তার চাচাতো ভাই মোটরসাইকেলে ভাড়ায় যাত্রী পারাপার করে। ঘটনার দিন সকালে তার চাচাতো ভাই মোটরসাইকেলে যাত্রী পারাপার করার পথে উত্তর কাটরা গ্রামের রাস্তায় কাদা থাকায় এক ছেলেকে রাস্তার পাশে যেতে বললে সেখানেই তাদের মধ্যে বাকবিতন্ড হয়। পরবতীর্তে বিকেলে উত্তর কাটরা ও দক্ষিন কাটরা গ্রামের মাতাব্বরা বসে ঘটনাটি মীমাংসা করে দেন। পরবতীর্তে ওইদিন রাতেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আব্দুল আলিমের দোকানে সন্ত্রাসী হামলা করে। হামলায় যৌথভাবে উত্তর কাটরা গ্রামের মৃত জনাব খানের ছেলে ফারুক খান, ফারুক খানের ছেলে হামিদুল খান, মুসলিম খানের ছেলে জাহিন খান, ইমান খানের ছেলে শাওন খান, ফরিদ খানের ছেলে হোসেন খান, জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে জিহাত, আরমান খান ঠান্ডুর ছেলে নাদিম, মৃত তেজন খানের ছেলে আলফাজ খান ও মৃত মনির খানের ছেলে রাকিব খানসহ ৩০-৪০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী হামলায় অংশ নেয়। বিউটি আক্তার আরো জানান, তাদের দোকানে থাকা নগদ ৬২ হাজার ৩০০ টাকা, একটি বিকাশ এজেন্ট মোবাইল, একটি মোবাইল লোড, একটি পার্সোনাল মোবাইল ও বিউটি আক্তারের গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় এবং দোকানের অনেক মালামাল ক্ষতি করেছে সন্ত্রাসীরা।

আহতদের পরিবারের সদস্যরা আরো জানান, এঘটনায় মামলা না করতে আহতদের পরিবারকে হুমকি প্রদান করে সন্ত্রাসীরা। এমনকি মামলা করলে তাদেরকে মেরে ফেলার আলটিমেটাম দেয়। এমতাবস্থায় আহতদের পরিবারের সদস্যরা মামলা করতে ভয় পাচ্ছে ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা উপজেলা প্রশাসনসহ জেলা পুলিশ সুপার এর সহযোগিতা ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme