সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ আবারও পেছাল

  • আপডেট : রবিবার, ৯ জুন, ২০১৯
  • ৭৭৫ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: অসুস্থতার কারণে সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে আদালতে হাজির না করায় আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। এ নিয়ে আমানুরের অসুস্থতার কারণে তিনবার সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল।

রোববার (৯ জুন) টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মনিরুল ইসলাম খান  বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, রোববার সাক্ষ্যগ্রহণের নির্ধারিত তারিখে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সাক্ষী টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফের হাজিরা দেওয়া হয়। কিন্তু অসুস্থতার কারণে এ মামলার আসামি কারাবন্দি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খানকে আদালতে হাজির না করায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক রাশেদ কবির ২০ জুন (বৃহস্পতিবার) সাক্ষীর জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান বলেন, এর আগে গত ৪ এপ্রিল এবং ২ মে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ থাকলেও আমানুরকে আদালতে হাজির না করায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। সেসময়ও অসুস্থতার কারণে তাকে আদালতে হাজির করা হয়নি বলে কারাগার কর্তৃপক্ষ আদালতকে জানিয়েছিলেন।

দীর্ঘ ২২ মাস পলাতক থাকার পর টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তারপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। ফারুক হত্যা মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন। তবে যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় জামিন স্থগিত থাকায় তিনি কারাগার থেকে বের হতে পারছেন না।

উল্ল্যেখ, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তে এ হত্যায় তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর ও তার ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।

২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এ মামলায় আমানুর ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পাসহ ১৪ জন আসামি রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme