সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

সওজ’র রউফ কৃষক থেকে কোটিপতি

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৮৩৬ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অফিস সহায়ক আব্দুর রউফ সাধারণ কৃষক থেকে কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। সম্প্রতি টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সন্তোষে পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে জমি ক্রয় করে রেখেছেন বলে জানা যায়। সাধারণ অফিস সহায়ক হয়ে কিভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন প্রশ্ন জনমনে।

জানাগেছে, নাগরপুর উপজেলার ভাররা ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষক রহম আলী শেখের ছেলে আব্দুর রউফ বিগত ১৯৮৪ সালে অফিস সহায়ক (পিয়ন) হিসেবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে চাকুরি পান। চাকুরি হওয়ার পর থেকে অদ্যাবধি তিনি টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে কর্মরত। আ’লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহনের পর ৬-৭ মাসের জন্য তাকে বদলি করে ঢাকায় নেয়া হলেও সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসানের মাধ্যমে তদবির করে পুনরায় টাঙ্গাইল সওজে যোগদান করেন।

স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ, আব্দুর রউফ ব্যক্তি জীবনে দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। বড় ছেলে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি পাস করে শহরের সন্তোষে ‘আয়ান টেক্স ক্লথিং’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। দ্বিতীয় ছেলে ঢাকার একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে রসায়ন শাস্ত্রে মাস্টার্স করছেন। একমাত্র মেয়ে এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

সূত্রমতে, তার ব্যাংক অ্যাকাউণ্ট ও এফডিআরে প্রচুর টাকা রয়েছে। অফিস সহায়ক পদে চাকুরি করে ছেলে-মেয়েদের পিছনে কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করা এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে গৃহঋণ ব্যতিত অট্টালিকা নির্মাণ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।

সওজ’র একাধিক অসমর্থিত সূত্রে জানা যায়, চাকুরি হওয়ার পর আব্দুর রউফ সতীর্থদের কাছ থেকে চা-পান চেয়ে খেতেন। অফিস সহায়ক হয়েও বর্তমানে তিনি বিলাসী জীবন কাটান। ভিন্ন নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে নির্মাণ কাজে ভাগিদার হওয়া, ঠিকাদারদের দরপত্র পাইয়ে দেয়া, নিম্নমানের কাজ করলেও চূড়ান্ত বিল পাইয়ে দেয়া, অফিসের আসবাবপত্র সহ ক্রয় সংক্রান্ত বিষয়ে নয়ছয় করে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ তার বিরুদ্ধে এন্তার অভিযোগ রয়েছে।

অফিস সহায়ক হয়েও অজ্ঞাত খুঁটির জোরে নির্বাহী প্রকৌশলীদের প্রিয়পাত্র বনে টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগের নীতিগত সিদ্ধান্তে তার ভূমিকা অগ্রগন্য। নির্বাহী প্রকৌশলীদের প্রিয়পাত্র হওয়ার কারণে অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি ‘থোরাই কেয়ার’ করেন।

এ বিষয়ে সওজ’র অফিস সহায়ক আব্দুর রউফ বলেন, ভবনের চারতলা পর্যন্ত কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে, পঞ্চমতলার কাজ এখনো করতে পারিনি। ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখা ও সংসার চালিয়ে অতিকষ্টে বাড়ির নির্মাণ কাজ করছি।

অফিস সহায়ক আব্দুর রউফের এহেন কর্মকান্ডের সচ্ছতার প্রশ্নে দুর্নীতি দমন কমিশনের(দুদক) তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করেন অভিজ্ঞমহল।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme