সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

সখীপুরে চার বছরের শিশুর করোনা

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০
  • ৭৭৩ বার দেখা হয়েছে।

মির্জা সাইদুল ইসলাম (সাঈদ) সখীপুর : টাঙ্গাইলের সখীপুরে পিতা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার চার দিন পর তাঁরই চার বছরের শিশু মেয়ের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২৯ জনে।

তাঁদের মধ্যে ১৩ জন সুস্থ হয়েছেন। সুস্থ হওয়া ব্যক্তিরা সবাই বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা নিয়েছেন। সখীপুরে শনাক্ত হওয়ার পর এই রোগে কেউ মারা যাননি। তবে একজন পোশাক কর্মীর মৃত্যুর পর নমুনা পরীক্ষা করে তাঁর শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রামন পাওয়া যায়।

মঙ্গলবার (৭জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুস সোবহান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ আসমা আক্তার জানান, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকৌশলী শফিকুল (৩২) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষা করান।

গত শনিবার তাঁর ফলাফল পজিটিভ আসে। সোমবার ওই প্রকৌশলীর স্ত্রী, চার বছরের মেয়ে এবং মা ও বাবা টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেন। মঙ্গলবার (৭জুলাই) ওই পরিবারের কেবল চার বছরের শিশুটির করোনা পজিটিভ আসে।

ওই প্রকৌশলীর বাড়ি উপজেলার নলুয়া গ্রামে হওয়ায় টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে মেয়েটির নাম সখীপুর উপজেলার শনাক্তের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ওই প্রকৌশলী মুঠোফোনে জানান, ‘আমার করোনা শনাক্ত হওয়ার পর স্ত্রী ছোট মেয়েটিকে গ্রামের বাড়িতে রেখে আমার সেবা করেছেন।

অথচ আজকের ফলাফলে আমার স্ত্রী, মা, বাবা সবার নেগেটিভ হলেও দূরে থাকা আমার চার বছরের মেয়ের পজিটিভ আসে। এ ফলাফল নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

আমার মেয়ের কোনো উপসর্গও নেই। তাই আজই (৭জুলাই) সন্ধ্যায় আমার মেয়েকে নিয়ে দ্বিতীয় বার করোনা পরিক্ষা করাতে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাবো।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme