সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

মির্জাপুর গোহাইলবাড়ি বিদ্যালয় কতৃপক্ষের ভুলে ফারজানার এসএসসি পরীক্ষা বন্ধ

  • আপডেট : শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৯৩৫ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক মির্জাপুর : মির্জাপুরে নবম দশম শ্রেণিতে দুই বছর লেখাপড়া শেষে নির্বাচনী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও কতৃপক্ষের ভুলের কারণে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন ফারজানা।

এ ভুলে ফারজানার জীবন থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে দুই বছর। ভুল ফারজানার না বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এ প্রশ্ন এখন তার পরিবার ও সচেতন এলাকাবাসীর।

ফারজানা গেড়ামারা-গোহাইলবাড়ি সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। সে উপজেলার চান্দুলিয়া গ্রামের ফজলুর রহমানের মেয়ে।

বৃহস্পতিবার ওই শিক্ষার্থী এ বিষয়ে বিচার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। অনুলিপি দেয়া হয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদের কাছেও।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফারজানা ২০১৭ সালে গেড়ামারা গোহাইলবাড়ি সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে নবম শ্রেণির মানবিক শাখায় ভর্তি হয়।

নবম শ্রেণিতে নিবন্ধন শেষে বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দশম শ্রেণীতে ভর্তি হয়। দশম শ্রেণিতে তার ক্লাস ক্রমিক নম্বর ৩০। গত ১৫ অক্টোবর থেকে এসএসসি’র নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু হলে তাকে ১৪ অক্টোবর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিত প্রবেশপত্র দেয়া হয়।

নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ফারজানা সকল বিষয়ে উত্তীর্ণও হয়। এসএসসি’র ফরম পুরন শুরু হলে ফাজানার কাছ থেকে ফরম পুরন বাবদ ৪ হাজার ২৫০টাকা নেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

কিন্ত দুই বছর পর গত মঙ্গলবার বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায় ফারজানা জেএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছে। সে কারণে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না এবং ফরম পুরনের টাকা ফেরত দেয়। এ ঘটনা জানতে পেরে ফারজানা ও তার পরিবারের সদস্যরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।

ফারজানার প্রশ্ন সে যদি জেএসসি পরিক্ষায় ফেল করে থাকে তাহলে কিভাবে তাকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হলো। কেন তাকে এসএসসি’র নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নিতে দেয়া হলো এবং ফরম পুরনের টাকা নেয়া হলো।

ফারজানার বাবা ফজলুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, নবম দশম শ্রেণিতে দুই বছর লেখাপড়ার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ এখন বলছে আমার মেয়ে জেএসসি পরীক্ষাই উত্তীর্ণয় হয়নি। তিনি বলেন, এখন মেয়ের জীবন থেকে দুইটি বছর হারিয়ে গেল। এই ভুলের খেসারত কে দেবে? এ প্রশ্ন তার পিতার।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ফারজানা নামে দশম শ্রেণিতে কামারপাড়া গ্রামের এক ছাত্রী রয়েছে। সে ওই ফারজানার রুল নম্বর দিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে বলে দাবি করেন।

মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ছাত্রীর লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme