সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

ভূঞাপুরে সর্দি জ্বর কাশি নিয়ে যুবক নিখোঁজ পরিবার লকডাউন

  • আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২০
  • ৭৭১ বার দেখা হয়েছে।
tangail-pratidin

খায়রুল খন্দকার ভূঞাপুর: ভূঞাপুরে জ্বর ও সর্দি নিয়ে উপজেলা নিকরাইল ইউনিয়নের ১ নং পুর্নবাসন এলাকার মো. সাইফুল ইসলাম সরকারের ছেলে মিন্টু মিয়া (২২) ‌। সে চট্টগ্রামে একটি কোম্পানিতে চাইনিজদের সাথে কাজ করতো। সেখানে থাকা অবস্থাতেই সর্দি-কাশি ও ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত হয় সে বাড়ী ফিরে।

এরপর মিন্টুর এ অবস্থা জানার পর তার বাবা-মা ও প্রতিবেশীরা করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে বাড়ি থেকে তাকে সকলের থেকে হোম কোয়ারেইন্টিনে থাকতে বলায় সে সর্দিজ্বর নিয়েই বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন।
 করোনা ভাইরাসের আশঙ্কায় তাকে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বলা হলে, আমার কোন ভাইরাসে হয়নি জানায় মিন্টু।

সম্প্রতি গেল সপ্তাহের বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) থেকে সরকার ১০ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন। পরদিন শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে ওই অসুস্থ্য শরীরেই বাড়ি ফিরেন তিনি। এদিকে, কোভিট-১৯ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে একটি লক্ষণ হলো- সর্দি ও ঠান্ডা-জ্বর। শরীরের এ অবস্থা নিয়েই চট্টগ্রাম থেকে বাড়ী ফেরার পর করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা ও আতঙ্কে তার পরিবারকে লকডাউন করে রেখেছে প্রশাসন। এতে করে দারিদ্র্য সাইফুলের  পরিবারের মাঝে দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকটসহ অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যে।

এ আতঙ্কের মধ্যে ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছে না এলাকাবাসী। এমন আতঙ্কের ঘটনায় মিন্টুর মা বলেন ছেলে বাড়ি ফিরে আসলেই ১৪ দিনের হোম কোয়ারেইন্টিনে থেকে চিকিৎসা নেয়ার জন্য বলা হলে আমাদের সাথে রাগারাগি করে।

একপর্যায়ে শুক্রবার দুপুরে পাড়ার প্রতিবেশীদের চাপে বাড়ী থেকে চলে যায়। তারপর থেকেই মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ৪ দিন ধরে আর বাড়ি ফেরেনি। আত্মীয় স্বজন ও শ্বশুর বাড়িতেও খোঁজ নিয়েও কোন সন্ধান পায়নি।

এ বিষয়ে নিকরাইল ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আব্দুল মতিন সরকার বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি, মিন্টু মিয়া দুই নিজ বাড়ীতে ছিল। পরে পরিবারের ও প্রতিবেশীদের চাপে হসপিটালে ভর্তি হওয়ার কথা বললে বাড়ী হতে চলে যায়। তারপর থেকে মিন্টুর মোবাইল বন্ধ, পরিবারের সাথেও নেই কোন যোগাযোগ।

তিনি আরোও বলেন, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই পরিবারকে লকডাউন করে দেই। ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রাশিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমরা জেনেছি। ছেলেটি বাড়ী থেকে পালিয়েছে। স্হানীয় চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে একটি সেল গঠন করে দেয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখবেন।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme