সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

টাঙ্গাইলে বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন স্থগিত

  • আপডেট : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০
  • ৬০২ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধনে পুলিশী অনুমোদন না থাকায় কর্মসুচি স্থগিত করে দিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

শনিবার সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থ বছরের বাজেটে বিড়ি শিল্পের উপর বৈষম্যমূলক ট্যাক্স বৃদ্ধি সহ ৬দফা দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন বিড়ি মালিক-শ্রমিকরা।

প্রশাসনিক অনুমোদন না থাকায় পুলিশ এসে কর্মসুচি স্থগিত এবং সবাইকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ফজলু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান, সদস্য মাহমুদ, সদস্য তারেকসহ প্রায় অর্ধসহস্রাধিক বিড়ি শ্রমিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তারা জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতি প্যাকেট বিড়িতে ট্যাক্স বৃদ্ধি করা হয়েছে ৪ টাকা। যা শতকরা বৃদ্ধিহার ২৮.৫৭ %। অপরদিকে কমদামী সিগারেটে প্রতি প্যাকেটে দাম বৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ২টাকা। যা শতকরা বৃদ্ধির হার মাত্র ৫.৪১ %।

অর্থাৎ সিগারেটের চেয়ে বিড়িতে প্যাকেট প্রতি ২টাকা বেশি এবং শতকরা ২৩.১৬% বেশি। এটি বিড়ি শিল্পের উপর চরম বৈষম্যমূলক আচরণ। বিদেশী সিগারেট কোম্পানীকে সুবিধা দিতেই এ বৈষম্য করা হয়েছে।

যা দেশীয় শিল্পের সাথে বিমাতাসূলভ আচরণ ছাড়া কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরে বিড়ি শিল্প ধ্বংস করার জন্য যে গভীর ষড়যন্ত্র ছিল প্রস্তাবিত বাজেটে তা প্রতিফলিত হয়েছে।

বিড়ি শ্রমিকদের দাবী– ১. মজুরী বৃদ্ধি করতে হবে। ২. বিড়ির উপর ট্যাক্স কমাতে হবে। ৩. কমদামী সিগারেট ও বেশী দামী সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধি করতে হবে। ৪. নকল বিড়ির ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।

৫. ভারতের ন্যায় আমাদের দেশেও বিড়ি শিল্পের সুরক্ষা আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। ৬. কোনভাবেই করোনা পরিস্থিতিতে এবং ভবিষ্যতে বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরী না করে বিড়ি শিল্পের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme