সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

টাঙ্গাইল পৌরসভা দূবৃত্তায়নমুক্ত করতে হবে – সিরাজুল হক আলমগীর

  • আপডেট : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ৯৪৮ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল পৌরসভাকে দূবৃত্তায়নের কবল থেকে মুক্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী মেয়র প্রার্থী সিরাজুল হক আলমগীর।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি বলেন দির্ঘ দিন ধরে প্রথম শ্রেণীর টাঙ্গাইল পৌরসভা দূবৃত্তায়নের কবলে পড়েছে। পৌরবাসী সেবা পেতে পৌরসভার গেলে অনেকেই অসম্মানিত হয়ে ফিরে আসেন। যা খুবই দুঃখজনক।

টাঙ্গাইল পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী সিরাজুল হক আলমগীর বলেন, অন্যদল থেকে এসে কতিপয় সুবিধাবাদী লোক আওয়ামীলীগে ঢুকে দলের ক্ষতি করছে আর নিজেরা লাভবান হচ্ছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবার দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। সে কারনে আমি মেয়র প্রার্থী হয়েছি।

একই সাথে আমি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। দীর্ঘদিন ধরে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত উল্লেখ করে বলেন, নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে রাজনীতি করছি।

মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছি। করোনার মহামারিতে পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে অভাবী মানুষের মাঝে সহযোগিতা করেছি। আগামীতে আমি মেয়র নির্বাচিত হতে পারলে টাঙ্গাইল পৌরসভাবে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, দখলমুক্ত রাখতে কাজ করবো। পৌরসভাকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তুলবো।

তিনি আরো বলেন, আমার উদ্যম, আওয়ামী লীগের চেতনা ধারণ করায় দলের বয়োজ্যেষ্ঠ নেতারা শ্নেহ করতেন। তাদের আস্থাভাজন হওয়ায় ছাত্রলীগের নেতা থেকে পর্যায়ক্রমে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে পেরেছি।

১৯৯৬ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত এ পদেও দায়িত্ব পালন করছি। রাজনীতি করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় নানা আন্দোলন সংগ্রাম করতে হযেছে। আর এজন্য নির্যাতন, জেল-জুলুম ও করাভোগ করতেও হয়েছে।

দলের প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাছাড়া আমার মধ্যে সততা, নিষ্ঠা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রয়েছে। ফলে আমি আশাবাদি দল আমাকে মনোনয়ন দেবে। তবে দলীয় মনোনয়ন না পেলেও দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন বলেও তিনি জানান।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme