সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

পুনরায় ভোট গ্রহণ ও গণনার দাবি চার কাউন্সিলর প্রার্থীর

  • আপডেট : রবিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৬৮৮ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন চার কাউন্সিলর প্রার্থী।

৪ নং ওয়ার্ডের উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী মীর মইনুল হক লিটন, ৮ নং ওয়ার্ডের পাঞ্জাবী প্রতীকের শফিকুল ইসলাম, ৯ নং ওয়ার্ডের ডালিম প্রতীকের মো. আব্দুর রাজ্জাক ১২ নং ওয়ার্ডের উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী মো. মুনসুর রহমান গতকাল রবিবার বিকেলের দিকে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান।

মীর মইনুল হক লিটন সম্মেলনে অভিযোগ করেন, আনোয়ার সাদাৎ তানাকার পক্ষে পাঞ্জাবী প্রতীকে জোরপূর্বক ভোট দেয়া হচ্ছিল। এর প্রতিবাদ করা হলে তার লোকজন ও ভোটারদের সাথে অসৎ আচরণ করা হয়। ভোটগণনার সময় তিনি কেন্দ্রে উপস্থিত হলে পুলিশ ও বিজিবি লাঠিচার্জ করে লোকজনকে সরিয়ে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করে প্রিজাইডিং অফিসারের ঘোষণা ছাড়াই ব্যালট বাক্স গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। ৪ নং ওয়ার্ডের বেড়াডোমা ও দিঘুলিয়া কেন্দ্রে একই ঘটনা ঘটে। ফলে এ ওয়ার্ডে পুনরায় সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে ভোটগ্রহণ করে ফলাফল প্রকাশ করার দাবি জানান তিনি। এ ব্যাপারে রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দেয়া হয়েছে এবং তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানান মীর মইনুল হক লিটন।

১২ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী মো. মুনসুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন তার ওয়ার্ডের অপর কাউন্সিলর প্রার্থী আমিনুর রহমান আমিনের লোকজন ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ভোট কারচুপি করতে থাকে। এলাকাবাসী এর প্রতিবাদ করলে তার লোকজন ও ভোটারদের সাথে অসৎ আচরণ করা হয়। পুলিশ লাঠিচার্জ করলে লোকজন সেখান থেকে চলে যায়। পরে প্রিজাইডিং অফিসারের ঘোষণা ছাড়াই ব্যালট বাক্স গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনিও পুনরায় সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে ভোটগ্রহণ করে ফলাফল প্রকাশ করার দাবি জানান।

এদিকে ৯ নং ওয়ার্ডের মো. আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ করেন, কারচুপির মাধ্যমে ডালিম প্রতীকের ভোট অপর প্রার্থী পাঞ্জাবী প্রতীকের পক্ষে দেখানো হয়েছে। পরে পাঞ্জাবী প্রতীকের প্রার্থী ফারুক হোসেনকে বিজয়ী দেখানো হয়। ফলাফল সিটও তাকে দেয়া হয়নি। পুনরায় ভোট গণনা করা হলে তিনি অনেক বেশি ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন। ফলে ঘোষিত ফলাফল স্থগিত করে পুনরায় ভোট গণনা করার দাবি জানান মো. আব্দুর রাজ্জাক।

একই অভিযোগ করেন ৮ নং ওয়ার্ডের পাঞ্জাবী প্রতীকের শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, পাঞ্জাবী প্রতীকের ভোট উটপাখি প্রতীকের পক্ষে দেখানো হয়েছে। ফলে তিনি পরাজিত হয়েছেন। পুনরায় ভোট গণনা করা হলে তিনি অনেক বেশি ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন বলে দাবি করেন শফিকুল ইসলাম।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme