সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

ধর্ষণের সময় লাথি মারায় ভাঙে ৪ দাঁত, ছিঁড়ে ফেলে পেট

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১
  • ৮৮০ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : ধর্ষণের সময় লাথি দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে টাঙ্গাইলের সখীপুরের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীর চারটি দাঁত ঘুসি দিয়ে ভেঙে ফেলে গ্রেফতার দিনা। এতেও ক্ষান্ত না হয়ে যৌনাঙ্গে হাত ঢুকিয়ে খামচে ধরে পেট এবং পায়ুপথ পর্যন্ত ছিড়ে ফেলা হয়।

এছাড়া সারা শরীর কামড়ে জখম করা হয়।

গ্রেফতার দুই আসামি বুধবার (১৬ জুন) আদালতে জবানবন্দিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। জবানবন্দি দেওয়ার পর সন্ধ্যায় তাদের কারাগরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আদালতে জবানবন্দি দেওয়া দুইজন হলেন সখীপুরের বড়চালা গ্রামের প্রকাশ সরকারের ছেলে দিনা সরকার (৩০) ও মৃত নারায়ন সরকারের ছেলে মন্টু সরকার (৩২)। তাদের সোমবার গভীর রাতে গোয়েন্দা পুলিশ জেলার নাগরপুর ও মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের সখীপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, বুধবার দিনা ও মন্টুকে আদালতে আনা হয়। তারা উভয়েই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। পরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা হাসনাত তাদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন।

পুলিশ জানায়, তারা উভয়েই জবানবন্দিতে জানান, বৃহস্পতিবার ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে নারীকে ডেকে তুলেন। পরে পাশের বনে নিয়ে ধর্ষণ করেন। আসামি দিনা সরকার জানান, ধর্ষণ শুরু করার পর ওই নারী তাকে লাথি দিয়ে ফেলে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি তার মুখে খুব জোড়ে ঘুসি মারেন। এতে ওই নারীর কয়েকটি দাঁত পড়ে যায়। পরে তারা নারীকে কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করেন। এক পর্যায়ে নারীর যৌনাঙ্গে হাত ঢুকিয়ে দিয়ে খামচে ধরেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারী ধর্ষণের শিকার হন। পরে শুক্রবার তাকে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার ওই নারী বাদি হয়ে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় গ্রেফতারকৃত দুইজন ছাড়াও শবদুল মিয়া (২৮) নামক আরো এক ব্যক্তি মোট তিনজনকে আসামি করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে শবদুল মিয়াকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme