সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

মধুপুরে বিদ্যুতের মিটার চুরির হিড়িক, টাকা চেয়ে চিরকুটে লিখে রাখা হচ্ছে মোবাইল নম্বর

  • আপডেট : রবিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৫৪ বার দেখা হয়েছে।
আঃ হামিদ মধুপুর ঃ মধুপুরে বিদ্যুতের মিটার চুরির হিড়িক, টাকা চেয়ে চিরকুটে লিখে রাখা হচ্ছে মোবাইল নম্বর
টাঙ্গাইলের মধুপুরে  আশঙ্কাজনক হারে অভিনব কায়দায় বিদ্যুতের মিটার চুরির হিড়িক পড়েছে। এতে করে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সুবিধাভোগীরা। মিটার চুরি করে সেখানে রেখে যাওয়া চিরকুটে লিখা বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে টাকা নিয়ে মিটার পুনরায় ফেরত দিচ্ছে এক শ্রেণির চোরের শক্তিশালী সিন্ডিকেট।
বিভিন্ন  সূত্রে জানা গেছে  উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েকটি  বিদ্যুতের মিটার চুরি হয়েছে। আর প্রতিটি মিটার চুরির পর ঘটনাস্থলে বিকাশ নম্বর লিখা কাগজের একটি চিরকুট রাখা হয়। পরে ওই বিকাশ নম্বরে যোগাযোগ করে চোর সিন্ডিকেটের সদস্যরা ৫ থেকে ১০হাজার টাকার বিনিময়ে আবার ওই মিটার ফেরত দিচ্ছে। চুরি যাওয়া প্রতিটি মিটারের দাম ১৪ থেকে ১৮হাজার টাকা। বিশেষ করে ৩ফেজের শিল্প/সেচের মিটারগুলো বেশি চুরি হচ্ছে। গত  শুক্রবার ১২ জানুয়ারী  মধ্য রাতে উপজেলা রোডে শহীদস্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় গেটের  পশ্চিম পার্শে শিল্প কলা ফার্ম  থেকে  একটি  মিটার চুরি হয়। মিটার চুরির পর উক্ত স্হানে  কাগজের চিরকুটে একটি মোবাইল নম্বর রেখে যায় চোরেরা। চুরির ২ দিন পর বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে  চোরদের ভাষ্যমতে সেই মিটার মালাউড়ি মোড়ের কলাবাগান থেকে ভুক্ত ভোগী শাহজাহান আলী উদ্ধার করে আনেন এবং আজ দুপুরে উক্ত স্হানে মিটারটি স্হাপন করেন ভুক্ত ভোগী শাহজাহান আলী। তিনি জানান দুই দিন আমাদের প্রতিষ্ঠানের মিটার না থাকায় আমাদের ব্যাবসার ক্ষতি হয়েছে  বলেও জানান। এতে করে উপজেলার প্রতিটি এলাকার মানুষদের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। কখন যে কার মিটার চুরি হয়ে যায় এই আতঙ্কে রয়েছে পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme