সংবাদ শিরোনাম:
ঘাটাইলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন গোপালপুরে বিনামূল্যে ৪ টি হতদরিদ্রের পরিবারের মাঝে বকনা গরু বিতরণ  টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থী আসিফ হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে মাজারের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, এক পক্ষের দখলমুক্ত করার দাবি, অন্য পক্ষের প্রতিবাদ ঘাটাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অযত্ন-অবহেলায় সাগরদীঘি বিনোদন কেন্দ্র ধ্বংসের মুখে ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন  টাঙ্গাইলে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ টাঙ্গাইলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৫০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন পুলিশ সুপার নাগরপুরে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালিত

বাসাইলে নিজ জমিতে বসতঘর তৈরিতে বাঁধা ও প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল; প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট : বুধবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৬১ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের বাসাইলে নিজ জমিতে বসতঘর তৈরিতে বাঁধা ও প্রভাব খাটিয়ে  জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে সৎ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিবাদে মা ও ছোট ভাই-বোন মিলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের কলিয়া উত্তরপাড়ার সিকদারবাড়ী এলাকায় নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জানা গেছে, উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের কলিয়া উত্তরপাড়ার সিকদারবাড়ী গ্রামের দবির উদ্দিন ওরফে দবু সিকদার তার দ্বিতীয় স্ত্রী রেনু বেগমের নামে ২০০০ সালে দুইটি দাগে ১৮ শতাংশ জমি লিখে দেন। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রথম পক্ষের বড় ছেলে হারুন সিকদারের সাথে দ্বিতীয় পক্ষের দুই ভাই ও বোনদের বিরোধ চলে আসছে। প্রায় এক বছর আগে সৎ বড় ভাই হারুন সিকদার প্রভাব খাটিয়ে প্রায় ১১ শতাংশ জমিতে বসতঘর তৈরি করেন। বাকি ৭ শতাংশ জায়গা পতিত রয়েছে। পতিত জায়গায় দ্বিতীয় পক্ষের দুই ভাই বসতঘর তৈরি করতে গেলে বড় ভাইয়ের পরিবার বাঁধা সৃষ্টি করে।

এদিকে, সংবাদ সম্মেলনে দবির উদ্দিনের মেয়ে রাশেদা আক্তার বলেন, ‘আমার বাবা মারা যাওয়ার আগে মায়ের নামে ২০০০ সালে নতুন ৩০৮ ও ৩১৩ দাগ ও পুরাতন ১৮ ও ১৭ দাগে ১৮ শতাংশ জমি লিখে দেন। এরপর আমার মা তার দুই ছেলের নামে পুরো জমি লিখে দেন। বিষয়টি নিয়ে সৎ বড় ভাইয়ের সাথে কয়েক বছর ধরে ঝামেলা চলে আসছে। প্রায় এক বছর আগে আমার বড় সৎ ভাই হারুন সিকদার জোর পূর্বক ১৮ শতাংশের মধ্যে ১১ শতাংশ জমিতে বসতঘর তৈরি করে। পরে বাকি ৭ শতাংশ জায়গায় আমরা বসতঘর তৈরি করতে গেলে তারা বাঁধা সৃষ্টি করে। আমাদের জমি ছেড়ে না দিয়ে উল্টো বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। কাগজপত্র দেখে বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।’ সংবাদ সম্মেলনের সময় রাশেদা আক্তারের মা রেনু বেগম, ভাই শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme