সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

কালিহাতীতে ফসল বাঁচাতে স্বেচ্ছাশ্রমের বাঁধ

  • আপডেট : রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৫৫২ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: গত কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বাড়ছে নদ-নদীর পানি। এতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ও সল্লা ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রামে রোপনকৃত আমন ধান তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। ফসল রক্ষায় উপজেলার হাতিয়ায় এলংজানী নদীর তীরে ঝুঁকিপূর্ণ দু’টি স্থানে স্বেচ্ছায়শ্রমে কয়েকশত কৃষক বাঁধ নির্মাণ করছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ৭-৮ গ্রামের শতাধিক কৃষক নিজেদের ফসল বাঁচাতে বালু ভর্তি বস্তা দিয়ে হাতিয়া এলাকায় নদীতীরে বাঁধ দিচ্ছেন। গত ৬ দিন যাবত একাধারে দুটি স্থানে প্রায় আড়াই শত ফুট জায়গা জুড়ে এ বাঁধ হচ্ছে।

কৃষক আব্দুল আজিজ, লুৎফর রমান, ইউসুফ ও আরজু শেখসহ অনেকে বলেন, সল্লা, দেউপুর, হাতিয়া, ভাওয়াল, বিল ছাইয়া, আনালিয়াবাড়ী, নরদহিসহ প্রায় ২০টি এলাকায় আমন ধানের আবাদ হয়েছে। অসময়ে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং হাতিয়া এলাকায় এলংজানী নদীর তীরে ভাঙন হওয়ায় আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি। এভাবে ৩-৪ দিন পানি বাড়লে ২০ গ্রামে রোপনকৃত ধান ডুবে আমাদের স্বপ্ন ভেসে যাবে। সরকারি সহায়তায় কাজ হলে আমাদের এত ভোগান্তি পোহাতে হতো না। আমরা স্থায়ী টেকসই বাঁধ চাই।

দশকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ মালেক ভূইয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, কৃষকরা ফসল বাঁচাতে হাতিয়া এলাকায় বাঁধ দিচ্ছেন। আমি জানার পর সেখানে বস্তা পাঠিয়েছি। প্রয়োজনে আরো সহযোগিতা করবো।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল হুসেইন বলেন, স্বেচ্ছাশ্রমের বাঁধের বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি সহযোগিতা করার ব্যবস্থা নেই। তবে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে গ্রামবাসীদের সহযোগিতা করার কথা বলেছি। পরবর্তীতে বাঁধের ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme