সংবাদ শিরোনাম:
ঘাটাইলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন গোপালপুরে বিনামূল্যে ৪ টি হতদরিদ্রের পরিবারের মাঝে বকনা গরু বিতরণ  টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থী আসিফ হত্যার নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জে মাজারের জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, এক পক্ষের দখলমুক্ত করার দাবি, অন্য পক্ষের প্রতিবাদ ঘাটাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত অযত্ন-অবহেলায় সাগরদীঘি বিনোদন কেন্দ্র ধ্বংসের মুখে ঐতিহ্যের স্মৃতিচিহ্ন  টাঙ্গাইলে শ্রমিক দলের বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ টাঙ্গাইলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৮৫০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন পুলিশ সুপার নাগরপুরে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালিত

রমজানে টাঙ্গাইলের ফলের বাজার লাগামহীন

  • আপডেট : শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০২৪
  • ৮৫২ বার দেখা হয়েছে।

শান সিদ্দিকী : এবার রমজানে টাঙ্গাইলের ফলের বাজার যেনো লাগামহীন। রমজানে চাহিদা বাড়ায় দেশি ফলের দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি ফলের দাম গত দুই-তিন দিনের ব্যবধানে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

টাঙ্গাইলের বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফলের মধ্যে তরমুজের কেজি ৯০-৮০ টাকা, বলসুন্দরি বরই ১১০-১৩০ টাকা ও আপেল বরই ১২০-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দুই দিন আগে তরমুজের দাম ছিল ৬০ – ৭০ টাকা, বলসুন্দরি বরই ১০০ টাকা ও আপেল বরই ৮০-১০০ টাকার মধ্যে। প্রতিটি ফলের দামই ১০-২০ টাকা বেড়েছে বলে জানান ফল বিক্রেতারা। তারা বলেন, রোজায় ফলের চাহিদা বেড়ে যায়। সেই তুলনায় আমদানি নেই। যে কারণে ফলের দাম বেড়ে গেছে।

এদিকে টাঙ্গাইলের বাজারে খুচরা পর্যায়ে শবরি কলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৫০ টাকায়, বাংলা কলা ১০০ টাকায়, চাঁপা (চম্পা) কলা ৭৫ টাকায় ও সাগর কলা ১৪০ টাকায়। কলার দামও প্রতি হালি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি। বিক্রেতারা জানান, দুই দিন আগে শবরি কলার ডজন ছিল ১০০-১২০ টাকা, বাংলা কলা ৮০ টাকা, চাঁপা ৭০ টাকা ও সাগর কলা ১৩০ টাকা।

খুচরা বিক্রেতারা বলেন, পাইকারি বাজার থেকে আমরা যখন কিনি তখন সেখান থেকেই খুচরা পর্যায়ের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। আমরাও সেই দামেই বিক্রি করি। রমজানের বাড়তি চাহিদার কারণে অনেক ফলই কাঙ্ক্ষিত দামে কিনতে পারা যায়নি

বেল প্রতি পিস আকারভেদে ১০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আকারে একটু ছোট হলে ৭০-৮০ টাকা। আর কদবেলের পিস ৫০ – ৭০ টাকা। এছাড়া থাই পেয়ারার দাম ৮০-১০০ টাকা কেজি ও দেশি পেয়ারা ১০০-১২০ টাকা। দুদিন আগে ছিল থাই পেয়ারার দাম ৭০-৯০ টাকা ও দেশি পেয়ারা ৮০-১০০ টাকা। এদিকে খেজুরের সর্বনিম্ন দাম কেজিপ্রতি ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে জাতভেদে প্রায় দুই হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে জাহিদি খেজুরের দাম কেজিপ্রতি ৩০০-৪৮০ টাকা, সৌদি মরিয়ম খেজুর ১০০০ থেকে এক হাজার টাকা, আজুয়া খেজুর এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এ সময় ক্রেতারা বলেন, গতবারের চেয়ে এবার প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যসহ সকল দেশি ফলের দাম লাগামহীন। আগে ৫০০ টাকায় বাজার হতো আর এখন ৫০০০ টাকায়ও বাজার মন মত হয়না। এত বেশি টাকায় ফল কেনার হ্মমতা আমাদের মত সাধারন মানুষের নেই ।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme