সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

ধনবাড়ীতে যত্রতত্র গরু জবাই পরিবেশ দূষিত

  • আপডেট : শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২
  • ৫০৫ বার দেখা হয়েছে।

হাফিজুর রহমান, ধনবাড়ী: টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে চলছে যত্রতত্র গরু জবাই। গরু জবাই করার নির্দিষ্ট কোন স্থান না থাকায় তার বর্জ্য যেখানে সেখানেই পড়ে থাকে। এতে পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার ১ নং বীরতারা ইউনিয়নের কেন্দুয়া সোনালী ব্যাংক ভবনের সামনে একটি খোলা ঘরের নিচে বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়াও বানিয়াজান ইউনিয়নের সাত্তার কান্দি বাসস্ট্যান্ডে ও ধোপাখালী ইউনিয়নের ভাইঘাট বাজরে সমস্ত গরু জবাই করা হয় ভাইঘাট আইডিয়াল ডিগ্রী কলেজের সামনের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে। সেখানেই গরু-ছাগল জবাই করার পরে ময়লা ও পশুর বর্জ্য পড়ে থাকে। এতে করে পথচারী ও স্কুল- কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা তাদের খুবই কষ্টে দুর্গন্ধের মধ্যে দিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

কেন্দুয়া সোনালী ব্যাংকে সেবা নিতে আসা ঐ ইউনিয়নের বাসিন্ধা হাবিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, নূরুল ইসলাম ও হাফিজুর রহমানসহ স্থানীয়রা জানান, এভাবে এই একটি ব্যাংকের সামনে নিয়মিত গরু-ছাগল জবাই করার পরে তার ময়লা নিয়মিত ভাবে পরিষ্কার করা হয়না। এতে ব্যাংকে বা বাজারে বাজার করতে এসে দুর্ভোগ পোহাতে হয় সকল জন সাধারণের। এবং কী বাজারে খোলা অবস্থায় মাংস টাঙ্গিয়ে বিক্রি করে কসাইরা। সারা দিন মাছি বেনবেন করে বসতে থাকে মাংসের উপর। এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস দেধারছে বিক্রি করে আসছে তারা। এই মাংস খেয়ে অনেকেই নানা অসুখ-বিসুখে ভুগছেন। তাই এইসকল দুরবস্থা থেকে রেহাই পেতে আমরা স্থানীয় প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্টদের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে ধনবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোর্শেদ বলেন, সকল জায়গায় সরকারীভাবে কসাইখানা না থাকার ফলে এরকম অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে ধনবাড়ী পৌরসভায় একটি নির্দিষ্ট সরকারী পশু জবাই করার জায়গা রয়েছে। এখানে পৌরসভার সমস্ত কসাইরা পশু জবাই করে থাকেন। তবে পৌরসভার বাইরে ইউনিয়ন পর্যায়ে সে সকল এলাকায় পশু জাবাই করে মাংস বিক্রি করেন কসাইরা তাদের সকল কে মাঝে মধ্যেই একত্রে বসে বিভিন্ন দির্দেশনামূলক আলোচনা করা হয়। আমরা এই বিষয়ে তৎপর রয়েছি। এ ব্যাপারে মাঝে মধ্যেই উপজেলা প্রশাসন কে নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে যাচ্ছি।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme