সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

ধর্ষণের পর দাঁত ভেঙে ফেঁড়ে ফেলা হয় পেট

  • আপডেট : বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১
  • ৮১৮ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের সখীপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীকে গণধর্ষণের পর চারটি দাঁত ভেঙে ফেলা হয়েছে। এতেও ক্ষান্ত হয়নি ধর্ষকরা।
ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে যৌনাঙ্গ, পেট এবং পায়ুপথ। সারা শরীর জুড়ে রয়েছে পাশবিক নির্যাতনের ছাপ। এমন নির্যাতনের চিহ্ন দেখে চিকিৎসকও শিউরে উঠেছেন।

গত বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রাতে দিনা সরকার, মন্টু সরকার এবং সবদুল মিয়া নামে তিনজন হাতিবান্ধা ইউনিয়নের গ্রামে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ওই নারীর বাড়িতে যান। তারা তাকে ডেকে পাশের বনে নিয়ে ধর্ষণ ও নির্যাতন করেন। এসময় তিনজন মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। পরদিন শুক্রবার সকালে ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক রেহানা পারভীন জানান, ওই নারীর বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ হবে। তার সারা শরীরে জখম, কয়েকটি দাঁত ভেঙে ফেলা হয়েছে। যৌনাঙ্গ থেকে পেট পর্যন্ত এবং পায়ুপথ ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।

এসময় তিনি জানান, ১৩ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার নারীদের পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন। এমন নির্মম নির্যাতন আগে কখনো দেখেননি।

গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে নাগরপুর ও মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন-সখীপুরের বড়চালা গ্রামের প্রকাশ সরকারের ছেলে দিনা সরকার (৩০) ও মৃত নারায়ণ সরকারের ছেলে মন্টু সরকার (৩২)। দুই আসামিও কোচ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের।

পুলিশ সুপার বলেন, মামলা দায়ের হওয়ার পর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) ওসি সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকজন সদস্যের সমন্বয়ে একটি চৌকস টিম ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মির্জাপুর ও নাগরপুর থেকে আসামিদের মধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে তারা আদালতে জবানবন্দি দিতে সম্মতি প্রকাশ করেছে। মামলার অপর আসামি সবদুল মিয়াকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ধর্ষণের শিকার নারীর চিকিৎসার খোঁজ খবর নিয়েছেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি। ওই নারীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তাও দিয়েছেন।

রোববার (১৩ জুন) বিকেলে আহত ওই নারী বাদী হয়ে বড়চালা গ্রামের দিনা সরকার (৩৪), মন্টু সরকার (৩২) এবং সবদুল মিয়াকে (৩৮) আসামি করে সখীপুর থানায় মামলা করেছেন।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme