সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

নাগরপুরে শফিকুল হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন, এক নারী গ্রেফতার

  • আপডেট : বুধবার, ২০ জুলাই, ২০২২
  • ৭৩০ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ২৪ ঘন্টার মধ্যে শফিকুল ইসলাম (৪৫) হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে থানা পুলিশ। ২০ জুলাই বুধবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন। এ হত্যা মামলায় মোরশেদা নামের এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়াও এ ঘটনায় জড়িত মোরশেদা’র দেবর বাকের ও ভাসুর ফুলচানকেও গ্রেফতারের প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকালে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মানড়া নয়াপাড়া এলাকার একটি সেতুর নিচ থেকে শফিকুল ইসলামের লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনার শফিকুলের স্ত্রী রাহেলা বেগম বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো: মনোয়ার হোসেন তথ্য প্রযুক্তি ও সনাতন তদন্ত কৌশল কাজে লাগিয়ে শফিকুল হত্যার মূল আসামী মোরশেদাকে গ্রেফতার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে ১৬৪ ধারায় মোরশেদার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়া হয়।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মোরশেদা জানায়, শফিকুল ইসলাম নাগরপুর উপজেলার মানড়া নয়াপাড়া এলাকায় বসবাস করে আসছিলো। সে মূলত জমি দেখাশোনা ও কৃষি কাজ করতো। গত ১৮ জুলাই সোমবার সকালে শফিকুল নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে বিকেলে একই এলাকার মোরশেদার বাড়িতে যায়। সে সময় মোরশেদার বাড়িতে কেউ না থাকায় তার সাথে জোরপূর্বক শারীরিক সর্ম্পক স্থাপনের চেষ্ঠা করে শফিকুল। এর আগেও জোরপূর্বকভাবে মোরশেদার সাথে শফিকুল শারীরিক সর্ম্পক করে। ঘটনার দিন মোরশেদা শফিকুলকে শারীরিক সর্ম্পক করতে বাধাঁ দেয়। পরে টিউবওয়েল পাড়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে মোরশেদা কাপড় দিয়ে শফিকুলের মুখ চেপে ধরে এবং টিউবওয়েলের মেঝেতে ফেলে আঘাত করে। এতে শফিকুল মারা যায় এবং তার লাশ পাশের টয়লেটের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। পরে মোরশেদার দেবর বাকের ও ভাসুর ফুলচানকে বিষয়টি জানালে তারা রাতের আধারে চটের বস্তায় ভরে অটোরিক্সার মাধ্যমে লাশটি সেতুর নিচে ফেলে চলে যায়।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme