সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

মধুপুর মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে  ঘুষ নেয়ার অভিযোগ

  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২
  • ৫১২ বার দেখা হয়েছে।
প্রতিদিন প্রতিবেদকঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুর রশিদ এর বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারীদের সাথে অসদাচরণ, প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও অনলাইন এমপিওতে টঅভিযোগ উঠেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রশিদ প্রায় ৫ বছর যাবৎ মধুপুরে কর্মরত আছেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের নামে প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট থেকে যাতায়াত খরচ বাবদ ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা গ্রহন করেন। এর কম দিতে চাইলে তাদের সাথে অসদাচরণ করে। এতে করে তারা চরম বেকায়দায় রয়েছে বলে জানান বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ।
একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের সাথে কথা বলে জানা যানা গেছে, মধুপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মাধ্যমিক স্কুল ও মাদরাসার) এনটিআরসিএ কর্তৃক নিয়োগকৃত শিক্ষকদের অন-লাইনে এমপিও ভূক্তির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রতিটি শিক্ষকের নিকট থেকে অন-লাইন এমপিও আবেদন ফরওয়ার্ড করার জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে নেন। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রতিষ্ঠান প্রধান সাংবাদিকদের জানান, কম দিতে চাইলে তিনি বলেন- ‘‘এটা আমার রেট। এর কম নিতে পারবো না। এখন বাজারদর বেশি, কারো কারো কাছ থেকে সাত হাজার টাকা করে নিতেছি”।
এ ব্যাপারে কয়েকজন ভূক্তভোগী জানান, নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা অনলাইন এমপিওর আবেদন করার পর তার সাথে দেখা না করলে তার এমপিও আবেদন ওনি (শিক্ষা কর্মকর্তা) ফরওয়ার্ড করেন না। আবার শিক্ষকের এমপিও এর আবেদন-এ ভূল হওয়ার কারণে ফাইল ফেরৎ আসলে সেটা পুনরায় সংশোধন করে পাঠালেও সে দ্বিতীয় বার টাকা নেয়, এভাবে যতবার ভুল হয় ততবারই তাকে টাকা দিতে হয়। মধুপুর উপজেলার একটি মাদ্রাসার নিয়োগপ্রাপ্ত একজন পিয়ন জানান, তার এমপিও আবেদনেও একাধিক বার টাকা নিয়েছেন। তার আবেদন পরপর তিন বার পাঠানো হয়েছে, ৩ বারই শিক্ষা কর্মকর্তা তার নিকট থেকে টাকা (ঘুষ) নিয়েছেন। ঘুষ দেওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে ভূক্তভূগী পিয়ন জানান, এমপিও ভুক্ত হবে না এই ভয়ে আমি টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। অনেক  শিক্ষক-কর্মচারীরা তার ভয়ে মুখ খুলতে নারাজ।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে এক শ্রেণীর লোক উদ্দেশ্য প্রণোদীতভাবে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এ ব্যাপারে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme