সংবাদ শিরোনাম:
টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন পুলিশ সুপার নাগরপুরে শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী পালিত বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী টুকু আমাদের চলমান আন্দোলন-সংগ্রাম সরকার পতনের আন্দোলন নয়…. মাওলানা মামুনুল হক গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু

বাল্য বিবাহ মুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্নে লাল পোশাকে বগুড়ার আনোয়ার

  • আপডেট : রবিবার, ১০ মার্চ, ২০১৯
  • ৯৯০ বার দেখা হয়েছে।

প্রতিদিন প্রতিবেদক : বাল্য বিবাহ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ নিয়ে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত লাল পোশাকে সাইকেল চালিয়ে বিভিন্ন মিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটে চলেছেন বগুড়ার ৫২ বছর বয়সী মো. আনোয়ার তালুকদার। আনোয়ার পেশায় একজন কাঠ মিস্ত্রি।

সে বগুড়া সদর উপজেলার বারাকপুর গ্রামের মৃত আব্দুর বারেক তালুকদারের ছেলে।

ঘুরতে ঘুরতে তিনি রোববার (১০ মার্চ) এসেছিলেন মির্জাপুর উপজেলায়।

সেখানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মালেক এর সাথে দেখা করে তার নির্দেশনা অনুযায়ী মির্জাপুর এসকে পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে গেলে সেখানে দুর্যোগ প্রশমন নিয়ে একটি মহড়া চলমান থাকায় লিফলেট বিলি না করে ছুটে চলেন অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খুজে।

লাল রং করা পুরাতন একটি বাই সাইকেল। পরনের পোশাকও লাল, সামনে পিছনে কিছু সচেতনতামূলক উক্তি। সাইকেলের সামনে উড়ছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এভাবেই বাল্য বিবাহ সম্পর্কে সমাজকে সচেতন করতে, বাল্য বিবাহ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ নিয়ে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত সাইকেল চালিয়ে ছুটে চলেছেন মো. আনোয়ার তালুকদার।

আনোয়ার জানান, ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনি দেশের ৬৪ জেলাসহ ১৬৩টি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাল্য বিয়ের কুফল ও ঝুঁকি সংবলিত লিফলেট বিতরণ করেছেন। নিজ এলাকাতেও তিনি তৎপর থাকেন সর্বদা। কোথাও বাল্য বিবাহ হলে প্রশাসনের সহায়তা তা রোধ করেন তিনি। শীতকালে বছরের ৩ মাস দেশের বিভিন্ন স্থানে এই প্রচারনার কাজ করে থাকেন তিনি।

বাল্যবিবাহ নিয়ে তার এই উদ্যোগের কারন জানতে চাইলে তিনি জানান, অনেক আগে আমার দুই বাস্তির ( ভাইয়ের মেয়ে) বাল্যবিবাহ হয়। তাদের ঘরে একটি করে সন্তানও আছে। কিন্তু পরবর্তীতে তাদের দুজনের কারও সংসারই টিকেনা। বর্তমানে তারা দুজন ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করে জীবিকা চালায়।

তিনি বলেন, তাদের জীবনের এই বিপর্যয় আমাকে নাড়া দেয় সবসময়। ওদের যদি বাল্য বিয়ে না হতো ওরা যদি লেখাপাড়া করতো তাহলে হয়তো ওদের জীবনের এই পরিনতি হতোনা।”

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মালেক এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাল্যবিবাহ রোধে সমাজের যার যার অবস্থান থেকে একটু চেষ্টা করলেই একদিন অবশ্যই বাংলাদেশ বাল্যবিবাহ মুক্ত হবে।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme