সংবাদ শিরোনাম:
গোপালপুর পুরাতন পৌর চত্বরে খানাখন্দে বেহাল সড়ক, মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী দের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে মহাসড়ক পারাপারের জন্য  রোপওয়ে  গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বাসাইলে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও সার বিতরণ  ছাগলছানা উদ্ধার করতে গিয়ে মধুপুরে বাবা-ছেলেসহ চার গারোর মর্মান্তিক মৃত্যু ধনবাড়ীতে মাদক অভিযানে পুলিশ জনতা সোচ্চার: নিয়মিত অভিযান অব্যাহত টাঙ্গাইলে আন্ডারপাসের দাবিতে আশেকপুরে এলাকাবাসীর মানববন্ধন লোকেরপাড়া-লুহুরিয়া সড়কের অসমাপ্ত সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্নের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত ঢাকা বিভাগের প্রাথমিকে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক নির্বাচিত টাঙ্গাইলের শরীফা হক

টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থী হত্যাকারী পুলিশের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও মিছিল

  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০১৯
  • ৯২৮ বার দেখা হয়েছে।

জাহাঙ্গীর আলম : স্কুল ছাত্র মো. সজিব মিয়া হত্যাকারী পুলিশ কন্সটেবলের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন টাঙ্গাইল সদরের আয়নাপুর এ এম মডেল স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. আসলাম মিয়া, মো. ফারুক মিয়া, শিক্ষিকা পারুল বেগম, শিক্ষার্থী আমেনা আক্তার ও রুবেল মিয়া।

বক্তারা বলেন, পুলিশ সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়। সেই পুলিশ কেন রক্ষক হয়ে ভক্ষকের কাজ করলো। পুলিশ কনস্টেবল মোশারফ হোসেন সজিব মিয়াকে হত্যা করেছে। এ হত্যা কান্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের সকলের ফাঁসি দাবি করছি। তা না হলে কঠোর থেকে কঠোরতর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

মানববন্ধন শেষে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন তারা।

উল্লেখ্য, নিহত সজিব ১৪ জুন শুক্রবার বিকালে মগড়া ইউনিয়নের বাহির শিমুল নানার বাড়ি থেকে একটি মোটর সাইকেল যোগে বের হয়। এরপর থেকেই সে নিখোঁজ। নিখোঁজ হওয়ার পর টাঙ্গাইল মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল।

১৬ জুন রবিবার দুপুরে কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া এলাকায় গলায় রশি ও মুখে কস্টেপ প্যাঁচানো এক অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কোনাবাড়ি গ্রামের সামাদ মিয়ার স্ত্রী জাহানারা বেগম লাশটি তার ছেলের বলে সনাক্ত করেন।

পরদিন জাহানারা বেগম বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে কালিহাতী থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ঘটনার সাথে কনস্টেবল মোশারফ ও মো. সজিবের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়।

তাদের দুজনকে বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনেই এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন।

খবরটি শেয়ার করুন:

আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয়।
Customized BY NewsTheme